৪ দিন বন্ধ থাকবে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল, গ্যাস সংকট সম্ভাবনা
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬ ১:২৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে টানা চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে সারা দেশে গ্যাসের স্বল্পচাপ ও সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এ সময় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) পেট্রোবাংলার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে পেট্রোবাংলার দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা ১০৫ কোটি ঘনফুট। তবে স্বাভাবিক সময়ে এ দুটি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
সামিটের টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলাকালে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ কমে দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে দৈনিক প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়। চাহিদার বাকি অংশ পূরণ করা হয় আমদানি করা এলএনজি দিয়ে।
সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে আগে থেকেই গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যায় থাকা গ্রাহকদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের এই এলএনজি টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়েছিল।
১১১ বার পড়া হয়েছে