এলএনজি
কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, চাপে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ক্রেতারা
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশের ক্রেতাদের আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করতে পারবে না কাতার এনার্জি। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানটি অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ বন্ধ থাকার নোটিশের মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সাময়িক উল্লেখ করে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং একটি এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার কারণে বর্তমান সংকট তীব্র হয়েছে। সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বিদ্যুৎ সংকট: অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চলমান সংকটের পেছনে আগের সরকারের দীর্ঘদিনের অনিয়মের পাশাপাশি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তও ভূমিকা রেখেছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাতিল, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বড় অঙ্কের বকেয়া এবং বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ—এসব বিষয়কে সংকটের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ।
জ্বালানি সংকটে বাড়ছে চাপ, বাজারে বেসরকারি অংশগ্রহণের উদ্যোগ
বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে। উচ্চ দামে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করে দেশের বাজারে তুলনামূলক কম দামে সরবরাহ করায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে বড় অঙ্কের আর্থিক চাপ নিতে হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতেও। পরিস্থিতি সামাল দিতে জ্বালানি তেলের বাজারে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় প্রকল্প, বাড়ছে আমদানিনির্ভরতার শঙ্কা
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরে এলএনজি টার্মিনাল, গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ২০৩১ সালের মধ্যে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও বিদ্যমান অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা, বিপিডিবির আর্থিক চাপ এবং আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি কমাতে কাঠামোগত সংস্কারের সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে কমপক্ষে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ সংকট কাটাতে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় প্রয়োজন। তবে দ্রুততম সময়ে পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকার কাজ করছে।