এলএনজি
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সাময়িক উল্লেখ করে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং একটি এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার কারণে বর্তমান সংকট তীব্র হয়েছে। সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলামের
দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তবে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে এখনই নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নয়।
জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের পথ খুলছে সরকার
জ্বালানি তেল আমদানি, বিপণন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং সংকটকালীন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকার।
তীব্র গ্যাস সংকটে বন্ধ হচ্ছে সিএনজি স্টেশন, দুর্ভোগে নগরবাসী ও শিল্পখাত
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপের কারণে সিএনজি ফিলিং স্টেশন, বাসাবাড়ি এবং শিল্পকারখানায় ব্যাপক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। গ্যাস না থাকায় অনেক সিএনজি স্টেশন বন্ধ রয়েছে, চালকেরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি পাচ্ছেন না। একই সঙ্গে বাসাবাড়িতে রান্না ব্যাহত হচ্ছে এবং শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে।
গ্যাস সংকটস্থবির শিল্প খাত, উৎপাদন ব্যাহত; বিকল্প জ্বালানির ব্যয়ে বাড়ছে চাপ
দেশজুড়ে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নতুন করে আরও তীব্র হয়েছে মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শিল্প উদ্যোক্তারা বাড়তি ব্যয়ে ডিজেল ও এলপিজির মতো বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আরও কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গ্যাস সংকট আরও অন্তত দুই সপ্তাহ, বাড়তে পারে লোডশেডিং
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে। এর মধ্যে আবাসিক, শিল্প, সিএনজি ও বিদ্যুৎ খাতে ভোগান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।