সর্বশেষ

পেট্রোবাংলা

২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকট সমাধানে ১৫০ গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ

দেশের জ্বালানিসংকট মোকাবিলা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়ানো, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি এবং সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানিসংকট সমাধানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সিএনজির গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পেট্রোবাংলার

ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও যানবাহনে ব্যবহৃত সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি)-এর দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ টাকা এবং সিএনজির দাম ৪৩ টাকা থেকে প্রায় ৬৫ টাকা করার প্রস্তাব জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে পাঠিয়েছে।

গ্যাস সংকটস্থবির শিল্প খাত, উৎপাদন ব্যাহত; বিকল্প জ্বালানির ব্যয়ে বাড়ছে চাপ

দেশজুড়ে দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট নতুন করে আরও তীব্র হয়েছে মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শিল্প উদ্যোক্তারা বাড়তি ব্যয়ে ডিজেল ও এলপিজির মতো বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করছেন। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আরও কারখানা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গ্যাস সংকট আরও অন্তত দুই সপ্তাহ, বাড়তে পারে লোডশেডিং

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও অন্তত ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে। এর মধ্যে আবাসিক, শিল্প, সিএনজি ও বিদ্যুৎ খাতে ভোগান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে পেট্রোবাংলার তেলের পাইপলাইনে ভয়াবহ আগুন; দগ্ধ ২

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের শাসন কদমতলা এলাকায় পেট্রোবাংলার তেলের পাইপলাইন লিক হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।