সর্বশেষ

রাজনীতি

জ্বালানি তেলের দাম প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তাঁর মতে, সংকট মোকাবিলায় জনগণের ওপর নতুন করে চাপ না দিয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে বিকল্প সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকারের অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনার খেসারত দেশের মানুষকে দিতে হচ্ছে। সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ও সৃজনশীল বিকল্প না খুঁজে জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েক মাসের মধ্যেই তৃতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি সরকার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দামে ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জ্বালানির দাম বাড়ানোর পেছনে সরকার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয়ের কথা বলছে বলে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার ৩২ শতাংশ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের কর ও শুল্ক আদায় করছে। বর্তমান সংকটে নাগরিকদের ওপর চাপ কমাতে অন্তত সাময়িকভাবে এসব কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলো না কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সরকার বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করতে চাইছে। অথচ নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তে থাকা চাপের মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নকে কেন এত জরুরি করা হলো—এ প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পে স্কেল স্থগিত রাখা হলো না কেন, সেটিও জানতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক সংকটের কারণে যদি জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপানো হয়, তাহলে রাষ্ট্রের অন্যান্য ব্যয় পুনর্বিন্যাস করে জনগণকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

শেষে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে নাহিদ ইসলাম অবিলম্বে বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে সংকট মোকাবিলায় জনগণের ওপর নতুন বোঝা না চাপিয়ে বিকল্প সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানান।

১৫৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০