'জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয়তাবোধ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল'
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্পে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাঁর নেতৃত্বে দেশের মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনেছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্প খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগসহ দেশের সব রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তাঁর সময়ে সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সরাসরি ভোটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছিল।
বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, জিয়াউর রহমান দেশের মানুষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করেছিলেন। বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকার সামর্থ্য রাখে—এমন আত্মবিশ্বাসও তিনি মানুষের মধ্যে তৈরি করেছিলেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বহু বছর পর এবার ৭ নভেম্বর জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। আগামী দিনে জিয়াউর রহমানের রেখে যাওয়া কাজ অনুসরণ করে দেশে শুধু গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা নয়, বরং গণতন্ত্রকে স্থায়ী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চায় সরকার।
তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি সত্যিকার কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে সিলেটে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টায় গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপির জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
১১৯ বার পড়া হয়েছে