রাজনীতি
ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সেলিম ও সাদিক
আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ঢাকা উত্তরে দলটি মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে আবু সাদিক কায়েমকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে। সোমবার বিকেলে বিষয়টি জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
ছয় দফা দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ শুরু ১১ দলীয় জোটের
গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ‘লং মার্চ’ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। সোয়া ৮টার পর জোটের নেতাকর্মীদের বহনকারী গাড়িবহর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়।
জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায়, আস্থা ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ: রিজভী
দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের পর জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে উল্লেখ করে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এখন দলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জনগণের আস্থা ও জনপ্রিয়তা ধরে রাখা। এ জন্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে কাজ করতে হবে।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা শেখ সাদীর
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শেখ সাদী।
আজ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, খালেদা জিয়াকে ছাড়াই পালিত হচ্ছে দিনটি
প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তবে এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিএনপির জন্য আলাদা তাৎপর্য বহন করছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে এবারই প্রথম দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে সাবেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ছাড়া। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যুর পর এটিই বিএনপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ফলে আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে বিএনপির ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে আলোচনা সামনে এসেছে।
রাজনীতির আশ্রয়ে উগ্রবাদ ফিরে এলে বিপদ বাংলাদেশের
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রপন্থা নতুন কোনো বাস্তবতা নয়। অতীতে নানা সময়ে এই প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, রাষ্ট্রীয় কঠোরতা, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সামাজিক প্রতিরোধের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণেও আনা হয়েছে। কিন্তু উগ্রবাদ কখনো পুরোপুরি নির্মূল হয়ে যায় না। রাষ্ট্রের দুর্বলতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ধর্মের অপব্যবহার, সামাজিক বিভ্রান্তি এবং উগ্র মতাদর্শের অনুকূলে তৈরি হওয়া বয়ান—এসবের সুযোগ পেলেই তা আবার সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করে।