সর্বশেষ

সাহিত্য

সুপ্ত-গুপ্ত বট বাহিনীর হরেক কাহিনির ফন্দিবাজি সমালোচনা

ফারূক মাহমূদ
ফারূক মাহমূদ

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইদানিং সমালোচকেরা বলতে শুরু করেছেন, দেশে নাকি চাঁদাবাজি বেড়েছে!

কী ভয়ানক অপপ্রচার! মনে হয়, তাঁরা আধুনিক রাজনীতির নতুন অভিধানটি এখনো পড়েননি।

ফুটপাতে দোকান বসানোর জন্য ভাড়া?
-না, এটি চাঁদা নয়। এটি হকারবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা।
ফারূক মাহমূদ

পাঠাও বাইকের জন্য রাস্তার কোণ বরাদ্দ?
-এটি অস্থায়ী পার্কিং সেবা।

অবৈধ অটোরিকশার গ্যারেজে বিদ্যুৎ ব্যবহার?
-এটি কমিউনিটি ইউটিলিটি চার্জ।

দোকান-অফিসের নিয়মিত মাসোহারা?
-এটি নিয়মিত রাজনৈতিক অনুদান।

হাট-ঘাট-সাঁকোতে টোল আদায়?
-এটি কেবমাত্র জনকল্যাণমূলক ইজারা।

চরে গরু চরানো জন্য কৃষকের কাছে টাকা আদায়?
-এটি গবাদিপশু ও ভূমি ব্যবস্থাপনা ফি।

মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়?
-এটি আইনি পরামর্শ ফি।

মামলা হলে চার্জশিট থেকে নাম বাদ দিতে টাকা?
-এটি ডাটাবেজ সংশোধন চার্জ।

আর আদালতে হাজিরার নামে বাড়তি টাকা আদায়?
-ন্যায়বিচার সহায়তা প্যাকেজ!

এখন কথা হচ্ছে, রাজপথও নাকি আম্লিগের মিছিল করার জন্য ঘণ্টাচুক্তিতে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। গণতন্ত্রের এমন দৃষ্টান্তমূলক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পৃথিবীতে আর কোথাও আছে?

তবু দুর্মুখেরা না বুঝে একে চাঁদাবাজি বলেন!

আসলে, চাঁদাবাজি এখন আর কোথাও নেই। যেকারনে পরিসেবার নামগুলো আধুনিক করা হয়েছে।
আগে টাকা নেওয়া হতো; এখন নেওয়া হয় সেবা-ফি।
আগে ভয় ছিল; এখন তার নাম নিরাপত্তা টোকেন।
আগে দখল ছিল; এখন দলীয় ব্যবস্থাপনা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : নাম যাইহোক, টাকাটা এখনও একইভাবে গণমানুষের পকেট থেকেই বের হয়!

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সাহিত্য নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০