সর্বশেষ

সাহিত্য

দ্বীপকূলে


একদিকে বন, অন্যদিকে পাহাড়, একদিকে আবার সমুদ্র। প্রকৃতি যেন দুহাত ভরে দিয়েছে। সকাল হলেই রাতে ভেজানো ভাত, আর কাঁচা মরিচ সাথে ১ টুকরা বড় আকারের ১টা পেঁয়াজ চিবিয়ে গোগ্রাসে মাটির পেয়ালা থেকে পানি গিলে আজ বের হয়েছে নন্দু। ওর একটা বাজে স্বভাব আছে, রাত বিরোতে হুট করেই ঘর থেকে বের হয়ে যাবার স্বভাব। আশেপাশে ঘর-দোরও নেই তেমন। সমুদ্রের কোল ঘেষে এক ছোট্ট দ্বীপ, দ্বীপের মাঝ বরাবর বিশাল বিশাল বহু প্রজাতির, বহু গাছ। ওগুলোর নাম জানে না নন্দু। এ অঞ্চলে সর্বসাকুল্যে ২০টার মতো ঘর। নন্দুদের সবথেকে কাছে যে বাড়িটা সেটাও অর্ধ কিলো আন্দাজমতো। ছোট্ট দ্বীপ হলেও যতটা ছোট হওয়ার কথা ততটাও না,অন্তত ২০ টা ঘরের জন্য দ্বীপটা যেন এক দেশই বটে।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
তিতাসের পাড়ে একাকী ঋষি: অদ্বৈত মল্লবর্মণ ও মরণশীল সভ্যতার অমর আখ্যান

বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের আকাশে যখন নাগরিক মধ্যবিত্তের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা কিংবা ড্রয়িংরুমের সূক্ষ্ম আভিজাত্য প্রধান হয়ে উঠেছিল, ঠিক সেই সন্ধিক্ষণে এক নিঃসঙ্গ পদাতিকের আবির্ভাব ঘটেছিল। তিনি অদ্বৈত মল্লবর্মণ। তাঁর কলম কোনো কৃত্রিম তাত্ত্বিক বিন্যাসে বিশ্বাসী ছিল না; বরং তা ছিল তিতাস নদীর মতোই স্বতঃস্ফূর্ত, মাটির গন্ধে বিভোর এবং এক অবহেলিত জনপদের আত্মিক উচ্চারণে মুখর।

কতো রক্ত হলে শান্ত হয় এই পৃথিবী

কতো রক্ত লাগবে? বলো—লোহিতসাগর, নীলনদ, ফোরাত, ভূমধ্যসাগর, আরবসাগর দিয়ে যত স্রোত প্রবাহিত হয়—সবটাই দিয়ে জলের পরিবর্তে রক্ত নাও; তবু পিতা, পিতামহীর পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি কেড়ে নিও না।

আহসান হাবীবঃ কবিতার বাঁশিওয়ালা

কেবল আত্মরতি নয়, সমাজচেতনার যুগধর্মই আহসান হাবীবের কবিতার বৈশিষ্ট্য। তাঁর কবিতায় আছে নগরযন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ নৈঃসঙ্গ্য এবং জনবিচ্ছিন্নতায় প্রকাশ।

নজরুল-মানস: স্বাদেশিকতা থেকে বিশ্ব-মানবতায়

উচ্ছল প্রাণের মর্মমূলে ব্যথার আগুন জ্বালিয়েছেন নজরুল। দুঃখ ছিলো তাঁর পথিক ভাই।' ফুলের বনে নয়, বেদনার গোরস্তানেই নজরুল সত্তার উন্মেষ ঘটেছিলো। তিনি তাঁর জীবন-জ্বালাকে বিরাট প্রাণের প্রাচুর্যে  আচ্ছন্ন করে রাখতেন।

নষ্টের বৈভব

তোমাদের ও পাড়াতে যখন...
নষ্টেরই বৈভব,
আমার এই ছোট্ট পাড়ায় তখন
সৃষ্টিরই উৎসব।