সর্বশেষ

সাহিত্য

আব্দুল গনি হাজারীর কবিতায় ব্যক্তি ও সমাজচৈতন্য

আবদুল গনি হাজারী দেশপ্রেমের সূত্রধর। স্বদেশী চেতনা তাঁর কবিতার গতিভঙ্গিতে নতুন নতুন প্রবর্তনা পেয়ে যায়। স্বদেশ, স্বদেশের মুক্তিচৈতন্য, স্বদেশের মাটি ও মানুষ তাঁর কবিতার প্রকৃত উপপাদ্য।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
অপেক্ষা

কেমন আছো? জানিও!
প্রতিদিনের ভাবনার মতো আজও তোমায় মনে পড়ছে!
তবে, খুব বেশি!

মহাকালের রুদ্রতন্ত্রীতে বৈশাখী আলাপ: বাংলা কবিতার দর্পণে নতুনের সৃজন-বেদনা

সময় কোনো স্থির চিত্রপট নয়, বরং এক নিরন্তর বহমান নদী। তার কোনো কূল নেই, কিনারা নেই; আছে শুধু আবর্ত আর বাঁকবদল। বৈশাখ কেবল একটি মাসের নাম নয়, কিংবা পঞ্জিকার পাতায় আটকে থাকা কোনো শুষ্ক তারিখও নয়। এটি বাঙালির আত্মানুসন্ধানের এক গভীর দর্পণ।

পাছাপাতা

পাছাপাতা চুলকোয়
আরাম লাগে আগুনে চৈত্রের পেঁজা
ছেড়ে দিলে ছুঁড়ে মারে শীতল কামান
আহা এমন মানবজীবন!
একান্তভাবেই যৌথজীবনে
চারা গজায়...

তুমি সূর্যমুখী

তুমি কোনো সাধারণ ফুল নও
তুমি সূর্যমুখী!
আলোর হাতছানি যেদিকে
তোমার উন্মুক্ত বাহু প্রশস্ত সে পাশে!
আমিতো জ্বলে নিভে যাওয়া শুকতারা
আমি সূর্য হতে পারিনি
তোমার আবেশ তাই ক্ষণিকের
বেঁধে রাখতে পারিনি!

তুমি এবং নিজস্ব সংলাপ

তুমি নেই
তবু কেনো ডাকো
কেনো আঁকো শূন্যতার ছবি
ক্ষোভভরা অনড় দু'চোখে
কেনো এমন শাসন, এমন বকাবকি
না পাওয়ায় বিরহে হারাবার কিছু নেই
হারিয়ে যায় পথের সীমানা, নদীর বাঁক
ছোটখাটো খুনসুটি, বিশ্বাসের মিথ্যে প্রলাপ
নিঃশ্বাসের দায়সারা লুকোচুরি
সমুদ্রও গভীরতা হারিয়ে চরের গান গায়।