সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যের টাইফুন যুদ্ধবিমান যাচ্ছে সৌদিতে, পেছনে দীর্ঘ সামরিক সম্পর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:১৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা থেকে সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর এসব যুদ্ধবিমান প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি সৌদি আরবকে আকাশে যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহের সহায়তা দিতে পরিবহন উড়োজাহাজ ও সামরিক উপদেষ্টাও পাঠাচ্ছে দেশটি। যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের কয়েক দশকের সামরিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এসেছে এই সিদ্ধান্ত।

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর (আরএএফ) যুদ্ধবিমানগুলো সৌদি আরবের আকাশসীমা সুরক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করবে। এসব যুদ্ধবিমান ইরান-সমর্থিত হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলা চালাবে না।

হুতি বিদ্রোহীরা আনসার আল্লাহ নামেও পরিচিত। ইয়েমেনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে আসছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতিরা। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে দেশটির তেল স্থাপনা এবং রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরও রয়েছে। এর জবাবে ইয়েমেনে হুতিদের বিভিন্ন অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সৌদি আরবের যুদ্ধবিমানগুলোকে আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় জ্বালানি সরবরাহের সহায়তার মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি একটি এ৪০০এম সামরিক পরিবহন উড়োজাহাজ ও সামরিক উপদেষ্টা পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এর আগে সৌদি আরবের সামরিক বিমান অভিযানে জ্বালানি সরবরাহের সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাজ্য। ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার অভিযানও এসব কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের সামরিক সম্পর্কের ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরোনো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই সম্পর্কের সূচনা হয়। যুক্তরাজ্যের জাতীয় মহাফেজখানায় সংরক্ষিত ইন্ডিয়া অফিসের নথি অনুযায়ী, ১৯১৫ সালের ডিসেম্বরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্রিটেনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্যার পার্সি কক্স সৌদি শাসক আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের সঙ্গে দারিন চুক্তি করেন।

তখন আবদুল আজিজ মধ্য আরবের নাজদ অঞ্চলের শাসক ছিলেন। চুক্তির আওতায় তিনি ওসমানী সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সঙ্গে জোটবদ্ধ হন। বিনিময়ে ব্রিটেন তাঁকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে।

১৯২৭ সালের মে মাসে জেদ্দায় আবদুল আজিজের সঙ্গে নতুন একটি চুক্তি করে ব্রিটেন। এর পাঁচ বছর পর, ১৯৩২ সালে, আবদুল আজিজ সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।

যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের মধ্যে বড় পরিসরে অস্ত্র বাণিজ্য শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি স্মারকলিপি অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালের মে মাসে সৌদি আরব ব্রিটিশ এয়ারক্রাফট করপোরেশনের সঙ্গে কয়েকটি চুক্তি করে। এসব চুক্তির আওতায় ৪০টি লাইটনিং যুদ্ধবিমান, ২৫টি জেট প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ এবং একটি রাডারব্যবস্থা কেনার পরিকল্পনা ছিল।

ওই সময় ইয়েমেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও দুই দেশের সামরিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৬২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইয়েমেনের রাজতন্ত্র উৎখাত করে প্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়। নতুন সরকারকে সমর্থন দিতে মিসর সেনা পাঠায়। অন্যদিকে সৌদি আরব ও জর্ডান ক্ষমতাচ্যুত ইমামকে পুনর্বহালের চেষ্টা করা রাজতন্ত্রপন্থীদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে।

১৯৬৬ সাল নাগাদ ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ অচলাবস্থায় পৌঁছায়। একই সময়ে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের এডেন ও আশপাশের এলাকায় ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চলছিল। জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিচ্ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মিসর। শেষ পর্যন্ত ১৯৬৭ সালে ওই অঞ্চল থেকে ব্রিটিশ বাহিনী সরে যায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নথি অনুযায়ী, ১৯৬৬ সালে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুবরাজ সুলতান যুক্তরাজ্যের কাছে একটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন চেয়েছিলেন। ইয়েমেনে আবার যুদ্ধ শুরু হলে সৌদি আরবের পরিচয়ে অভিযান পরিচালনার জন্য এই বাহিনী ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল।

ব্রিটেন পাল্টা প্রস্তাবে নিজেদের বৈমানিকদের পরিচালনায় যুদ্ধবিমান সরবরাহের কথা জানায়। প্রয়োজনে স্বল্প সময়ের জন্য লাইটনিং যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রন পাঠানোর প্রস্তুতির কথাও বলা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব যুদ্ধবিমান ও বেসামরিক বৈমানিক গ্রহণ করায় ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি।

১৯৭৩ সালে দুই দেশের সরকার একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। এতে ব্রিটিশ এয়ারক্রাফট করপোরেশনকে প্রধান ঠিকাদার হিসেবে মনোনীত করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান নাম বিএই সিস্টেমস।

১৯৮৫ সালে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের মধ্যে তেলের বিনিময়ে অস্ত্র কেনার একটি বড় চুক্তি হয়। ‘আল-ইয়ামামা’ নামে পরিচিত এই চুক্তির আওতায় টর্নেডো ও হক যুদ্ধবিমান কেনার কথা ছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, আল-ইয়ামামা চুক্তিগুলো ছিল ব্রিটেনের ইতিহাসের বৃহত্তম রপ্তানি চুক্তিগুলোর অন্যতম। টর্নেডো যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামের মূল্য পরিশোধের জন্য সৌদি আরব দৈনিক সর্বোচ্চ ছয় লাখ ব্যারেল তেল বরাদ্দ রেখেছিল।

এই চুক্তি ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ২০০৪ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের গুরুতর আর্থিক জালিয়াতি তদন্তকারী সংস্থা এসব অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। তবে ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের একটি রায়ে এ তথ্য উল্লেখ রয়েছে। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল লর্ড গোল্ডস্মিথ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার প্রয়োজনীয়তাকে তদন্ত বন্ধের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

১৯৯০ সালের আগস্টে ইরাক কুয়েত আক্রমণ করলে সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ মিত্রদেশগুলোর সহায়তা চান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান সৌদি আরবে মোতায়েন করা হয়।

ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর জাদুঘরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের ১১ আগস্ট সাইপ্রাসের আক্রোতিরি ঘাঁটি থেকে ১২টি টর্নেডো যুদ্ধবিমান সৌদি আরবের দাহরানে পাঠানো হয়। একই বছরের অক্টোবরে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাবুকে আরও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়। ১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে দাহরানে অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়।

উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় সৌদি আরব ব্রিটিশ বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ডে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলের উড্ডয়ন নিষিদ্ধ আকাশসীমায় টহল দেয়। মার্কিন বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের ঘাঁটি থেকে এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ৭২টি টাইফুন যুদ্ধবিমান কিনতে সম্মত হয়। তৎকালীন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি বিমানবাহিনীর পুরোনো টর্নেডোসহ অন্যান্য যুদ্ধবিমানের জায়গায় এসব যুদ্ধবিমান যুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল।

চুক্তিটির মূল্য ছিল ৪৪৩ কোটি পাউন্ড। তৎকালীন বিনিময় হার অনুযায়ী, এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৮৯০ কোটি মার্কিন ডলার। বিএই সিস্টেমস এই চুক্তিকে ‘সালাম প্রকল্প’ নামে অভিহিত করে।

২০১৮ সালের মার্চে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান লন্ডন সফর করেন। ওই সময় আরও ৪৮টি টাইফুন যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি অভিপ্রায়পত্র সই হয়। তবে প্রস্তাবিত চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত আটকে যায়।

টাইফুন যুদ্ধবিমান তৈরিতে জার্মানিও অংশীদার। ফলে এসব যুদ্ধবিমান রপ্তানির ক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়ে তা আটকে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে দেশটির।

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পর ২০১৮ সালে জার্মানি সৌদি আরবে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করে দেয়। খাসোগি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক ছিলেন এবং সৌদি যুবরাজের নীতির সমালোচনা করতেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সৌদি আরবে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে নিজেদের আপত্তি প্রত্যাহার করে নেয় জার্মানি।

একই বছর বিএই সিস্টেমস জানায়, সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনায় তারা যুক্তরাজ্য সরকারকে সহায়তা করছে।

ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরবের ভূমিকার কারণে দেশটিতে ব্রিটিশ অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ সালে হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটিতে সংঘাত আরও তীব্র হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

২০১৯ সালের জুনে যুক্তরাজ্যের আপিল আদালত এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে বলেন, ইয়েমেনে ব্যবহৃত হতে পারে এমন অস্ত্র সৌদি আরবে বিক্রির অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সরকার আইন লঙ্ঘন করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, অতীতে সংঘটিত ঘটনাগুলোতে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছিল কি না, তা যথাযথভাবে মূল্যায়ন না করেই অস্ত্র রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

এরপর নতুন করে অস্ত্র বিক্রির অনুমতি দেওয়া বন্ধ রাখা হয়। তবে ২০২০ সালের জুলাইয়ে তৎকালীন ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী লিজ ট্রাস পার্লামেন্টকে জানান, আবার অস্ত্র রপ্তানির অনুমতি দেওয়া শুরু হবে। তাঁর বক্তব্য ছিল, গুরুতর আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের কাজে এসব অস্ত্র ব্যবহারের সুস্পষ্ট ঝুঁকি নেই।

সৌদি আরবকে প্রতিরক্ষায় সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানেও অংশ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ হামলায় অংশ নেয় ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর টাইফুন যুদ্ধবিমান।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হুতিদের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য এই অভিযান চালায়।

এ ছাড়া চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবকে সহায়তা দিতে একটি ভয়েজার জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ পাঠায় যুক্তরাজ্য। আকাশে উড্ডয়নরত যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহ করাই এই উড়োজাহাজের কাজ। সৌদি বিমানবাহিনীর যেসব যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়, সেগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যে তৈরি টাইফুন যুদ্ধবিমানও রয়েছে।

সৌদি আরবে নতুন করে টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত দুই দেশের দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতাকে আরও জোরদার করবে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের সংঘাত, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অস্ত্র রপ্তানি নিয়ে যুক্তরাজ্যের নীতি আবারও আলোচনায় আসতে পারে।

১১০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০