মক্কা প্যাক্টের অগ্নিপরীক্ষা
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
সৌদি ভূখণ্ডে হুথিদের সাম্প্রতিক বড় আকারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে প্রথম বাস্তব অগ্নিপরীক্ষার সামনে দাঁড় করিয়েছে।
চুক্তির ভাষায় এক সদস্যদেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ মানেই সবার ওপর আক্রমণ। কিন্তু বাস্তব রাজনীতি কেবল ভাষায় নয়, সিদ্ধান্তের মুহূর্তে নিজের শক্তি প্রকাশ করার সক্ষমতার উপর নির্ভর করে।
এখন প্রশ্ন, পাকিস্তান ও তুরস্ক কতটা এগোতে পারবে এবং সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ায়?
ইতোমধ্যে পাকিস্তান সাফ জানিয়েছে, সামরিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে সৌদি আরবের সাথে আলোচনা হয়নি। অথচ এই হামলার প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমেই বোঝা যাবে মক্কা প্যাক্ট কতোটুকু কার্যকর নিরাপত্তা-জোট। নাকি এটিও ওআইসির মতো কাগুজে প্রতিশ্রুতি।
ইরান-ঘনিষ্ঠ হুথি, ইসরায়েল-আমেরিকার ভূমিকায় মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে। সামনে আব্রাহাম অ্যাকর্ড, জ্বালানি, ডলার-ব্যবস্থা, চীন-আমেরিকা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নতুন শক্তির ভারসাম্য; সবই বদলাতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশের জন্য তাই মক্কা প্যাক্ট নিয়ে অতি আবেগ না দেখিয়ে দূরদর্শিতার নিয়ে অগ্রসর হতে হবে।
মক্কা প্যাক্টে যুক্ত হওয়ার প্রশ্ন উঠলে প্রথমেই জানতে হবে, সঙ্কটের দিনে আমরা কি সত্যিই সামরিক দায় নিতে প্রস্তুত? আর সেই সক্ষমতা কী আমাদের আছে?
আগামী এক বছর পাকিস্তান, তুরস্ক ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যৌথ উৎপাদন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারত, আমেরিকা ও চীনের মনস্তত্ত্ব বুঝে Bangladesh First নীতিতে এগোনোই হবে রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞার পরিচয়।
১২১ বার পড়া হয়েছে