সর্বশেষ

সারাদেশ

আদালতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কুয়াকাটায় বসতভিটা দখলের চেষ্টা

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিন দশক ধরে ভোগদখলে থাকা একটি বসতভিটা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালী মহলের অব্যাহত হুমকি ও অবরুদ্ধ অবস্থার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী সেলিম মুন্সী এই লিখিত অভিযোগ করেন। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাহীন আলম। সংবাদ সম্মেলনে মুছল্লিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা সেলিম মুন্সী দাবি করেন, ১৯৯৫ সালে জমি কিনে বাড়িঘর নির্মাণ করে তিনি দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে সপরিবারে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন।

সেলিম মুন্সীর অভিযোগ, কুয়াকাটা ভূঁইয়া মার্কেটের আচার ব্যবসায়ী জাহিদুর ইসলাম সুমন ২০২৫ সালে অন্য এক ওয়ারিশের কাছ থেকে একই দাগ-খতিয়ানে জমি ক্রয় করেন। কিন্তু সুমন অসৎ উদ্দেশ্যে সেলিম মুন্সীর বসতবাড়ির চৌহদ্দি দেখিয়ে জমিটি নিজের দাবি করছেন। এই নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালত গত ২ সেপ্টেম্বর বিবাদী সুমনের বিরুদ্ধে ওই জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ৯ সেপ্টেম্বর সকালে সুমন ভাড়াটে লাঠিয়াল ও বহিরাগত ক্যাডার বাহিনী নিয়ে ওই বাড়িটি অবরুদ্ধ করে ফেলেন। ঘরের বাইরে অস্ত্রধারী ও বহিরাগতদের মহড়ায় পরিবারের শিশু ও নারীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকা এই পরিবারটি অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বাঁচতে মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

সেলিম মুন্সী সুমনের পূর্বের নানা প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিবরণ দিয়ে বলেন, সুমন ইতিপূর্বে বিদেশি নকল চকোলেট ও বার্মিজ আচার বিক্রির অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এবার তিনি জোরপূর্বক ভূমি দখলের অপচেষ্টায় মেতে উঠেছেন।

অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত জাহিদুর ইসলাম সুমন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালে মোশাররফ হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে জমি কিনে তিনি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। এখন উল্টো তাকেই তার নিজের জমিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

১০৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন