গতরাতে ও আজ ভোরে কয়েকদফা মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ৪:৪৯ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়ে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে একাধিক মৃদু ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের কম্পন দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ভারতের জাতীয় ভূকম্পনবিদ্যা কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৩ মিনিটে ভারতের মণিপুর রাজ্যের কাংপোকপি এলাকায় ৩ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫৯ কিলোমিটার গভীরে।
এর পাঁচ মিনিট পর, বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও ভুটান সীমান্তবর্তী এলাকায় আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল মাত্র ৭ কিলোমিটার গভীরে।
এরপর বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিটে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম খাসি পাহাড় এলাকায় ২ দশমিক ৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এর আগে রোববার রাত ১টা ৪০ মিনিটে অরুণাচল প্রদেশে ৩ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। একইভাবে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মণিপুরের একই অঞ্চলের কাছাকাছি ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পও রেকর্ড করা হয়।
অন্যদিকে রোববার রাত প্রায় পৌনে ১০টার দিকে কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সীমান্তবর্তী এলাকায়।
কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি জেলা এবং দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই ভূমিকম্প অনুভবের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
১২৮ বার পড়া হয়েছে