গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষক স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ১৬ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পাশাপাশি সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে আরও একজন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
চাকরিচ্যুত ১৬ শিক্ষক বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক। তাঁরা হলেন— ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম ও আশরাফুল হোসেন হাওলাদার, সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার এবং প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস।
এ ছাড়া পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহসিন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জল হুসাইন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/১০ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক লিখিত নির্দেশনার পরও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তাঁদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বারবার লিখিতভাবে কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁরা নির্দেশনা অনুসরণ না করায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন সময়ে বিধি অনুযায়ী প্রাপ্ত সব অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দিতে হবে।
এ ছাড়া ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
১১৮ বার পড়া হয়েছে