সর্বশেষ

সারাদেশ

বানারীপাড়ায় বাল্কহেডের ধাক্কায় ব্রিজ ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

সুখেন্দু এদবর, বরিশাল
সুখেন্দু এদবর, বরিশাল

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ৪:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতাহাট এলাকায় বালুবাহী একটি বাল্কহেডের ধাক্কায় একটি লোহার সেতুর মাঝের অংশ খালে ধসে পড়েছে। এতে অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বাল্কহেডটি জব্দ করেছে এবং নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
বাল্কহেডের ধাক্কায় ব্রিজ ভেঙ্গে খালে পড়ে গেছে

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতাহাট সংলগ্ন একটি লোহার সেতু বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ভেঙে খালে পড়ে গেছে। শনিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এমভি রাইয়ান নামের একটি বালুবাহী বাল্কহেড সেতুর নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় লোহার পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে সেতুর মাঝের অংশ ধসে পড়ে এবং বাল্কহেডটি সেতুর নিচে আটকে যায়।

ঘটনার পর ইলুহার ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মাহাতাব উদ্দিন বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদুর রহমানকে জানান। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বাল্কহেডটি উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদের জিম্মায় রাখা হয়। জানা গেছে, বাল্কহেডটির মালিক পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার নান্দুহার গ্রামের রাজিব।

রোববার বিকেলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বানারীপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয়দের মতে, সেতুটি বানারীপাড়ার ইলুহার, উদয়কাঠীসহ আশপাশের অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ ছিল। প্রতিদিন মোটরসাইকেল, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহনে মানুষ স্বরূপকাঠী উপজেলায় বাজার, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করতেন।

সেতুটি ধসে পড়ায় এখন এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষকে বিকল্প পথে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে উত্তর ইলুহার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন সেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয়—দুটিই বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইজিবাইকচালকেরা।

ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান চাঁন বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় বানারীপাড়ার বাইশারী, উদয়কাঠী ও ইলুহার ইউনিয়নের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। তিনি দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানান।

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালে সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সেখানে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য একাধিকবার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে দ্রুত প্রস্তাব পাঠিয়ে গার্ডার সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদুর রহমান বলেন, সেতুটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এলজিইডির মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব নতুন সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১২৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন