দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে ইইউবি: ড. মকবুল আহমেদ খান
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
গ্রামের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতেই ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মকবুল আহমেদ খান। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে যাতে কোনো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই স্বল্প খরচে শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘ফ্রেশার্স রিসেপশন অ্যান্ড ফেয়ারওয়েল সেরিমনি সামার-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইইউবির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মকবুল আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম মুরতুজা।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ মো. মোশাররফ হোসেন সরকার, রেজিস্ট্রার ড. এস. এম. জোবায়ের এনামুল করিম, ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা মো. ইমদাদুল হক, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক আবু তাহেরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মকবুল আহমেদ খান বলেন, দেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী অর্থনৈতিক কারণে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি বলেন, অন্যান্য অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় ইইউবিতে তুলনামূলক কম খরচে শিক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছে, যাতে গ্রামের শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই হবে না; তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বগুণ এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম মুরতুজা বলেন, টেকসই উন্নয়ন এবং আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে দক্ষ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা, গবেষণামুখী মানসিকতা এবং নৈতিক মূল্যবোধ অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
১৫৫ বার পড়া হয়েছে