সর্বশেষ

শিক্ষা

১৫ বছরেও স্থায়ী শিক্ষক নেই, খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ভরসায় চলছে রাজেন্দ্র কলেজের ফিন্যান্স বিভাগ

আবিদ জামান, ফরিদপুর
আবিদ জামান, ফরিদপুর

শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে খণ্ডকালীন ও অতিথি শিক্ষকদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম। স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, কমছে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ এবং নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও আশঙ্কাজনকভাবে নেমে এসেছে।

দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে ২০১১ সালের এপ্রিলে ফিন্যান্স বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়। পরে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে চালু করা হয় মাস্টার্স কোর্স। তবে বিভাগ চালুর প্রায় দেড় দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো এ বিভাগে কোনো স্থায়ী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়নি।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দুইজন অতিথি শিক্ষক এবং দুইজন খণ্ডকালীন শিক্ষকের মাধ্যমে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় নিয়মিত ক্লাস গ্রহণে বিঘ্ন ঘটছে এবং শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ছে।

ফলে বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহও কমে যাচ্ছে। কলেজের তথ্য অনুযায়ী, অনার্স পর্যায়ে ফিন্যান্স বিভাগে মোট আসন রয়েছে ২১৫টি। চলতি শিক্ষাবর্ষে এসব আসনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছেন মাত্র ২৮ জন শিক্ষার্থী। গত তিন থেকে চার বছর ধরে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে বলে জানা গেছে।

বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিক্ষকসংকটের কারণে অনেক দিনই নির্ধারিত ক্লাস অনুষ্ঠিত হয় না। ক্লাস করার উদ্দেশ্যে কলেজে এসেও প্রায়ই শুনতে হয় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক উপস্থিত না থাকায় ক্লাস হবে না। এতে পড়াশোনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ বলেন, বিভাগে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পদ সৃষ্টির আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় নিজস্ব উদ্যোগে অতিরিক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ করাও সম্ভব হচ্ছে না।

সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এস এম আব্দুল হালিম বলেন, শিক্ষক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের আগেও কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ী পদের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
শিক্ষা নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন