সর্বশেষ

জাতীয়

মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর, নতুন আশা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬ ৭:১৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
আগামী ২১ থেকে ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এতে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবার চালুর বিষয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বিদেশগামী বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় থাকা হাজারো বাংলাদেশি শ্রমিক প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরকে ঘিরে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরকালে শ্রমবাজার–সংক্রান্ত বিষয় আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হতে পারে।

অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মালয়েশিয়া দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার হিসেবে পরিচিত। দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীরা নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষি, প্লান্টেশন এবং সেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

তবে কয়েক বছর ধরে নতুন কর্মী নিয়োগ কার্যত বন্ধ থাকায় বিদেশে কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন অনেক বাংলাদেশি অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ফলে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ এবং শ্রমবাজার পুনরায় চালুর আলোচনা নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর জন্য বাংলাদেশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতির কথা উঠে আসে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে শ্রমবাজার, ভিসা–সংক্রান্ত জটিলতা, কনসুলার সেবার উন্নয়ন এবং কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে সফর শেষে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা আসবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মালয়েশিয়ার সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে প্রায় ৮ থেকে ৯ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। বিদেশি শ্রমশক্তির মধ্যে বাংলাদেশিদের অংশ উল্লেখযোগ্য।

শ্রমবাজারটির ইতিহাসও বেশ ওঠানামার। ২০০৮ সালে প্রথমবার মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়। পরে ২০১৬ সালে পুনরায় চালু হলেও ২০১৮ সালে আবার স্থগিত করা হয়। ২০২২ সালে নতুনভাবে কর্মী নিয়োগ শুরু হলেও ২০২৪ সালে আবারও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অনেক কর্মী ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রশিক্ষণ গ্রহণ, পাসপোর্ট প্রস্তুত এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ করার পরও তারা বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাননি।

অভিবাসন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যদি নতুন করে শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়, তাহলে হাজারো বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হতে পারে।

মাইগ্রেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ভবিষ্যতে শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হলে কর্মীরা নিরাপদ ও বৈধ উপায়ে মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ পাবেন।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন