সর্বশেষ

সারাদেশ

বিচারের বাণী আর নিভৃতে কাঁদবে না, এমন বাংলাদেশ চাই: ডা. শফিকুর রহমান

নুরুন্নবী মুন্না, মুন্সীগঞ্জ
নুরুন্নবী মুন্না, মুন্সীগঞ্জ

শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬ ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মুন্সীগঞ্জে এক জনাকীর্ণ রুকন সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আগামী দিনে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন আদালতে সঠিক বিচার পায় এবং কোনো চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট যেন জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক সংস্কার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মুন্সীগঞ্জ শহরের পুরাতন কাচারী এলাকার একটি party সেন্টারে জেলা জামায়াত আয়োজিত বার্ষিক রুকন সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির আমির এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তরুণ সমাজের স্বপ্নের ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে জামায়াতে ইসলামী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি গণমাধ্যমকে বিবেকের আলোয় সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানান এবং মিথ্যার সাথে আপোষ না করার অনুরোধ করেন।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাজেট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাজেটে বহু পণ্যের শুল্ক কমানো হলেও বাজারে তার কোনো ইতিবাচক প্রভাব পণ্যের উপর পড়েনি। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারলে দেশের মানুষের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে এবং ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

জাতীয় সংসদে থাকার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, সংসদ যদি জনগণের কল্যাণে কাজ না করে, তবে সেখানে এক সেকেন্ডও থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি সরকারকে সময় দেওয়ার কথা বললেও অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা করা সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজির সংস্কৃতির অবসান ঘটানোর জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি তথাকথিত ‘মাস্টারমাইন্ড’ দাবির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের কোনো একক মাস্টারমাইন্ড নেই, বরং দেশের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণই ছিল এর আসল চালিকাশক্তি। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী শহীদ হওয়া ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহীদরা কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, তারা গোটা জাতির সম্পদ।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা অঞ্চল দক্ষিণ জামায়াতের পরিচালক ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। জেলা জামায়াতের আমির আ. জ. ম রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন রাজির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক এবিএম ফজলুল করিম ও জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি সিরাজুল আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

১২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন