সর্বশেষ

জাতীয়

প্রমাণ ছাড়াই হামাসের তৎপরতা বিস্তারের অভিযোগ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬ ৭:২৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার দাবি করেছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েল। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করেননি।
ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার

ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের তৎপরতা বিস্তারের অভিযোগ তুলেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকে দুই দেশে সংগঠনটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে ইসরায়েল।

তবে রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যের পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। তিনি দাবি করেন, হামাসের কিছু কার্যক্রম প্রকাশ্যে দৃশ্যমান হলেও আরও কিছু কর্মকাণ্ড জনসম্মুখে নাও আসতে পারে।

সাক্ষাৎকারে রিউভেন আজার আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাকিস্তানকে ইসরায়েল পুরোপুরি বিশ্বাস করে না এবং দেশটির কূটনৈতিক অবস্থানকে সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করে।

আজার আরও বলেন, কিছু দেশ এমন ধরনের শান্তির কথা বলে, যেখানে ইসরায়েলের অস্তিত্বের জায়গা নেই। তাঁর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

এ সময় তিনি কাতারের ভূমিকাও সমালোচনার মুখে তোলেন এবং দাবি করেন, আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের অবস্থান নিয়ে ইসরায়েলের উদ্বেগ রয়েছে।

হামাসের কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইসরায়েলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার মতো কৌশল অনুসরণ করে অন্য কোথাও হামলার পরিকল্পনা হতে পারে। তাঁর মতে, এ ধরনের সম্ভাবনা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের জন্য উদ্বেগের বিষয় হওয়া উচিত। তিনি জানান, এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইসরায়েল আলোচনা করেছে।

পাকিস্তানের কিছু সরকারি মহল থেকে ইহুদিবিদ্বেষী বক্তব্য প্রচারের অভিযোগও আনেন রিউভেন আজার। তাঁর দাবি, এ ধরনের বক্তব্য ইসরায়েল ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিষয়ে পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় বড় পরিসরে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ওই অভিযানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গাজায় পরিচালিত সামরিক অভিযানে ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদের সম্ভাব্য লঙ্ঘন ঘটেছে। ইসরায়েল এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর থেকে সেখানে কয়েক দশ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।

১১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন