সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

নাইজারের প্রধান বিমানবন্দরে সশস্ত্র হামলা, নিহত ৩৫

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ ৩:৫১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে অবস্থিত ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২২ জন হামলাকারী, ১১ জন সেনাসদস্য এবং দুইজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। হামলার দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম)।

নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে অবস্থিত দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভোরে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় মোট ৩৫ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২২ জন হামলাকারী, ১১ জন সেনাসদস্য এবং দুইজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।

পাঁচ মাসের কম সময়ের মধ্যে একই বিমানবন্দরে এটি দ্বিতীয় বড় ধরনের হামলা। এর দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম)।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফজরের নামাজের কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দর এলাকা থেকে বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে রাজধানীজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে অনেকেই বিষয়টিকে ছোটখাটো বিস্ফোরণ মনে করলেও পরে বড় ধরনের হামলার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে ২২ হামলাকারী নিহত হন। আহত হন আরও চারজন হামলাকারী এবং সন্দেহভাজন ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

জব্দ করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে আরপিজি-৭ রকেট লঞ্চার, একে-৪৭ রাইফেল, গ্রেনেড, বিস্ফোরক, যোগাযোগ সরঞ্জাম এবং হাজার হাজার রাউন্ড গুলি।

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর পালিয়ে যাওয়া হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে ব্যাপক অভিযান শুরু করা হয়। হামলার পর বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং যাত্রী ও যানবাহনের ওপর কড়াকড়ি তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের চেয়ারম্যান মাহমুদ আলি ইউসুফ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের কারণে বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুধু নাইজারের প্রধান বেসামরিক বিমানবন্দরই নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘদিন ধরে জঙ্গি সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে দেশটি। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেও একই বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে নাইজার সরকার। কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলায় বিমানবন্দর এলাকায় ৩৫০টির বেশি নজরদারি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

১১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন