সর্বশেষ

আইন-আদালত

গাজী নজরুলের জামিন নামঞ্জুর, জামিন পেলেন ১ম স্ত্রী মাকছুদা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস হলেও তার জামিন মেলেনি। তবে নারী আসামি হিসেবে তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম জামিন পেয়েছেন।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলায় বাদী পক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা হয়েছে। নিহত মরিয়ম খাতুনের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আদালতে জানিয়েছেন, গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম জামিনে মুক্তি পেলে তার কোনো আপত্তি নেই। তবে আপসের পরও গাজী নজরুল ইসলামের জামিন মঞ্জুর হয়নি। নারী আসামি বিবেচনায় জামিন পেয়েছেন মাকছুদা ইসলাম।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে হাজির হয়ে আসামিদের পক্ষে হলফনামা দেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান।

আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, বাদী আপস করে আদালতে হলফনামা দিয়েছেন। তিনি জানান, কারাগারে থাকা গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের আপসের শর্তে জামিন চাওয়া হয়েছিল। আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন বলেও দাবি করেন তিনি। শুনানিতে উপস্থিত থেকে বাদী দুই আসামির জামিনে কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গত সোমবার দুই দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওই দিন তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে শয়নকক্ষে থাকতেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে মাঝে মাঝে শয়নকক্ষের পাশের বারান্দায় রাত কাটাতে হতো।

তদন্তে মরিয়ম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলেও তথ্য পাওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছিল পুলিশ।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানার ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের (১৯) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।

পরে সিআইডির সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরিয়মের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার কক্ষে কিছু চিরকুটও পাওয়া যায়।

ঘটনার পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই রাতেই গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মাকছুদা ইসলামও এক দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে ছিলেন। বুধবার আদালতে আপসের পর নারী আসামি বিবেচনায় তার জামিন মঞ্জুর করা হয়।

১০৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০