সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছাত্রাবাস ধসে নিহত ৫, আটকা ৫০ 

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৪৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির সত্য নিকেতন এলাকায় একটি বহুতল ছাত্রাবাস (পেইং গেস্ট) ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও ৪০ থেকে ৫০ শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো অভিযান চালাচ্ছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এআইআইএমএস) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও এক আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এর পর ভবনধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছায়।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযানকে ‘যুদ্ধকালীন তৎপরতার’ মতো গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১১ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের কাছাকাছি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এআইআইএমএস ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন দুজন শিক্ষার্থীর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এর আগে রোববার বেলা ১টা ৩৪ মিনিটের দিকে নয়াদিল্লির দক্ষিণ ক্যাম্পাস থানায় ভবনধসের খবর আসে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে ৪০ থেকে ৫০ শিক্ষার্থী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ধসে পড়া ভবনটি ছেলেদের পেইং গেস্ট (পিজি) হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রত্যক্ষদর্শী একজন বার্তা সংস্থা এএনআইকে জানান, পাঁচতলা ভবনটির নাম ছিল ‘হোস্টেল ডেজ’। সেখানে ছেলেদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে ভবনটিকে ছয়তলা বলা হয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, পাশের একটি ভবনও ধসে পড়েছে। ভবনের কক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েন। ভবনে ওই সময় ঠিক কতজন ছিলেন, তা নিবন্ধনের রেকর্ড পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি জানান, অনেক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং উদ্ধারকাজে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযানে দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (ডিডিএমএ), জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), দিল্লি ফায়ার সার্ভিস, দিল্লি পুলিশ, দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (এমসিডি), সিটিএস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে সত্য নিকেতনে ভবনধসের ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) কর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা দিল্লি মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের (এমসিডি) সিভিক সেন্টারে অবস্থিত কার্যালয়ে ভাঙচুর করেন। ভবনধসের ঘটনায় এমসিডির কমিশনারের পদত্যাগও দাবি করেন তাঁরা।

স্থানীয় শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, ভবনটি ধসে পড়ার সময় ছাত্রাবাসটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিজেদের কক্ষে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলগুলো তাঁদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

১৩৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন