ভারতের পানি বৈষম্যরোধে শীঘ্রই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: ত্রাণমন্ত্রী
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ভারতের একতরফা পানি বৈষম্যের শিকার হয়ে শুকিয়ে যাওয়া তিস্তা নদী পুনরুজ্জীবিত করতে খুব শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত 'তিস্তা মহাপরিকল্পনা'। এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর স্পারবাধ এলাকায় বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় গবাদিপশুর একটি বিশেষ আশ্রয় কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিস্তা চুক্তির সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ভারতের পানি বৈষম্যের কারণে ঐতিহাসিক তিস্তা নদী শুকিয়ে আজ ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয়েছে। এর ফলে আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে সরকার কাজ করছে।
মহাপরিকল্পনার অগ্রগতির বিষয়ে আসাদুল হাবিব দুলু জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। লন্ডনে অবস্থানকালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। খুব দ্রুতই এর মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু তিস্তা প্রকল্পই নয়, যমুনার চরাঞ্চলসহ দেশের সকল নদীবিধৌত দুর্গম এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বন্যাকালীন গৃহপালিত গবাদিপশুর সুরক্ষায় বিশেষ আশ্রয়ন প্রকল্প স্থাপন এরই একটি অংশ।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী উপস্থিত স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে যমুনা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন এবং নদীশাসন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
১২০ বার পড়া হয়েছে