সর্বশেষ

আন্তর্জাতিক

নেপালে বন্যায় নিহত বেড়ে ৪৬৯, নতুন হ্রদ ভেঙে ফের বন্যার শঙ্কা

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ৬:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার নেপাল পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। এখনো অন্তত ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে বন্যার ধ্বংসাবশেষ জমে ভোতেকোশি নদীর ওপর তৈরি হওয়া একটি অস্থায়ী হ্রদ নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নেপালে আকস্মিক বন্যার পর দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিখোঁজ ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে। তবে উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো ধ্বংসস্তূপ ও কাদার নিচে আটকে থাকা মানুষের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

নেপাল কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষের অবস্থান শনাক্ত করছে। একই সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া হাজারো মানুষের কাছে জরুরি খাবার, পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্ধারকারী দলগুলো কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরাতে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছে। কিছু এলাকায় প্রশিক্ষিত কুকুরের সাহায্যেও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান চালানো হচ্ছে। এরই মধ্যে বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া বেশ কয়েকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে বন্যার পানি ও বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষের কারণে নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার ধ্বংসাবশেষ জমে ভোতেকোশি নদীর ওপর একটি অস্থায়ী হ্রদ তৈরি হয়েছে। সেখানে পানির পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে।

কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, অস্থায়ী হ্রদের বাঁধ ভেঙে গেলে সেখান থেকে বড় ধরনের পানির ঢল নেমে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে। এতে ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে নতুন করে বিপর্যয় তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চীনা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী তিন দিনে প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি ওই হ্রদে প্রবেশ করতে পারে। এই পরিমাণ পানি প্রায় ১ হাজার ২০০টি অলিম্পিক আকারের সুইমিং পুলের সমান।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বরের দিকে পানির প্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জলবিদ্যা বিভাগের গবেষক ঝু জিনফেং বলেন, হ্রদে পানির পরিমাণ যত বাড়ছে, ঝুঁকিও তত বাড়ছে।

নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি অস্থায়ী হ্রদটির পানির স্তর এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

১৩৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন