সর্বশেষ

জাতীয়

বাজারে বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার উপরে

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ৭:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর কাঁচাবাজারে অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৮০ টাকার ওপরে। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম, কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। বিপরীতে পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকা কেজিতে। কয়েক সপ্তাহ আগে ৪০০ টাকা কেজিতে ওঠা কাঁচা মরিচের দাম কমে এখন ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে। তবে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার দুটিতে বেশির ভাগ পণ্যের দামে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের মতো সাধারণ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে দেশি শসার দাম বেশি, কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

বর্ষা মৌসুমে বাজারে আসা আগাম শীতকালীন সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দামের সবজি পেঁপে, কেজি ৩০ টাকা।

সবজির চড়া দামের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচে। কয়েক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। সরবরাহ বাড়ায় এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

দামি সবজির তালিকায় লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। বরবটি, ঝিঙে ও করলা ৮০ টাকা কেজি। লাউ বিক্রি হচ্ছে আকারভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পিস এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি।

বাজারে সবজি কিনতে আসা আনোয়ার হোসেন বলেন, তিনি বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৬০ টাকা এবং এক পোয়া কাঁচা মরিচ ৩০ টাকায় কিনেছেন। তাঁর ভাষ্য, সবকিছুর দাম বেশি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিক্রেতারা সবজির দাম বাড়ার জন্য বৃষ্টি ও আবহাওয়াজনিত সমস্যাকে দায়ী করছেন। ব্যবসায়ী আবু দাউদ বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সবজির দাম বাড়ছে। উৎপাদন বাড়লে দাম কমে আসবে।

সবজির তুলনায় মুরগির বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিমের এক ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। চারটি ডিমের দাম ৫০ টাকা। সাধারণত এক ডজন ডিম কিনলে বিক্রেতারা কিছুটা ছাড় দিলেও এখন সেই সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

মাছের বাজারেও মোটামুটি আগের দামই রয়েছে। তেলাপিয়া কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাস ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং চাষের কই ৩০০ টাকা কেজি। পোয়া ২৬০ টাকা ও শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। মাঝারি আকারের রুই পাওয়া যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি ১ হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে। মাছের আকার, জীবিত না মৃত—এসবের ওপরও দাম নির্ভর করছে। বাজারভেদে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমবেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা জালাল বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই আছে। সরবরাহ ও চাহিদার ওপর দাম নির্ভর করে। সকালে যে দাম থাকে, বিকেলে তা পরিবর্তন হতে পারে। বাজারে মাছের সরবরাহ বেশি হলে দাম কমে, আবার ক্রেতা বেশি হলে দাম বাড়ে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন