সর্বশেষ

আইন-আদালত

আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় মঙ্গলবার

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট।

সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য ২৫ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

এর আগে রোববার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক।

গত ১১ আগস্ট একই বেঞ্চে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। একই রায়ে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায় আছিয়া। সেখানে ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হয় সে। প্রথমে তাকে মাগুরা ও পরে ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতনের গুরুতর মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের ১০ জুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন ও আপিল শুনানির জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন।

বিশেষ বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের একটি দলও গঠন করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এ দলে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। এ ছাড়া সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আঁখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী রয়েছেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার আগে উচ্চ আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন। এ কারণে বিচারিক আদালতের নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এই মামলার নথি ২০২৫ সালের ২১ মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের পর মামলার পেপারবুক প্রস্তুতের জন্য তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়।

১২৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন