ফ্লোরেসে আবারও ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ ৫:৩৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ফ্লোরেস অঞ্চলে চলতি সপ্তাহে এটি ৫ দশমিক ৯ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প। এর আগে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) একই মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। জার্মানির জিএফজেড রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের তথ্য অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পটিরও উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
সোমবারের ভূমিকম্পের সময় উদ্ধারকর্মীরা এর মাত্র দুই দিন আগে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছিলেন। শনিবার আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ফ্লোরেস অঞ্চলে অন্তত ৫৩ জন নিহত হন।
ধারাবাহিক ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ৯০০টির বেশি ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও প্রায় ৪৫০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগের কারণে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অস্থায়ী কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তাদের হিসাবে, এ ঘটনায় ১৩৫ জন আহত হয়েছেন। শুধু ফ্লোরেস অঞ্চলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ২৪১টি ঘরবাড়ি।
ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য বাড়িঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। পরে সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ত্রাণকর্মীরা চাল, প্রস্তুত খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করছেন। বাস্তুচ্যুত মানুষের থাকার জন্য বিভিন্ন এলাকায় জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রও স্থাপন করা হয়েছে।
১২০ বার পড়া হয়েছে