সর্বশেষ

সারাদেশ

জয়পুরহাটে সারের বাজারে অস্থিরতা: বস্তাপ্রতি গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৪শ' টাকা

স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট
স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ ২:৪৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জয়পুরহাটে আমন মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে রাসায়নিক সারের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকারি মূল্যের চেয়ে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দামে সার বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা, যার ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। ডিলারদের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমূল্যে সার না পেয়ে কৃষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আমন ধানের পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়পুরহাটের কৃষকেরা। তবে এই ভরা মৌসুমে অতিরিক্ত দামের কারণে তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে কোনো সংকট না থাকলেও খুচরা ডিলার ও ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ৭০ হাজার ৯৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯৭ শতাংশ জমিতে রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে নিড়ানি ও সার প্রয়োগের কাজ। কিন্তু সারের দোকানে গিয়ে সরকারি দামের কোনো প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন না কৃষকেরা।

সরকারি নিয়মানুযায়ী ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি সারের দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা হলেও খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকায়। একইভাবে ১ হাজার ৫০ টাকার ডিএপি সারের দাম রাখা হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকা। এমনকি ১ হাজার ৫০ টাকার এমওপি সার কিনতে কৃষকদের গুণতে হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা পর্যন্ত।

ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত দাম নিলেও ব্যবসায়ীরা কোনো রশিদ দিচ্ছেন না। রশিদ চাইলে সার বিক্রি না করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়েই বেশি দাম দিয়ে সার কিনে মাঠের ফসল রক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। কৃষকদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে তদারকি না থাকায় ডিলারদের এই সিন্ডিকেট দিন দিন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

জেলা সার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. রওনকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হলেও তারা সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখছেন। বিসিআইসি ডিলাররা অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন না দাবি করে তিনি বলেন, খুচরা পর্যায়ে কোনো সমস্যা থাকলে প্রশাসনের সহায়তায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ.কে.এম. সাদিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুদ রয়েছে এবং কোনো ঘাটতি নেই। ডিলার পয়েন্টগুলোতে কর্মকর্তাদের ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে। অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন