সর্বশেষ

সারাদেশ

বরিশালে প্রধানশিক্ষকের ব্যাগে মিড-ডে মিলের ডিম-রুটি, তদন্ত শুরু

সুখেন্দু এদবর, বরিশাল
সুখেন্দু এদবর, বরিশাল

শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬ ১০:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষকের ব্যাগে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ মিড-ডে মিল কর্মসূচির ডিম ও রুটি পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর পর ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।
মিড-ডে মিলের রুটি

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ মিড-ডে মিল কর্মসূচির খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও প্রশাসনের নজরে আসার পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার সময় রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক রেশমা আক্তারকে স্থানীয় কয়েকজন আটকিয়ে তাঁর ব্যাগ তল্লাশি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যাগ থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের দুই ডজন ডিম ও ২২টি রুটি পাওয়া যায়।

পরদিন শুক্রবার (২৬ জুন) এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

স্থানীয়দের দাবি, ওই প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ খাদ্যসামগ্রী নিয়মিত আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয়দের অনুরোধে প্রথমে ব্যাগ দেখাতে অনীহা প্রকাশ করেন তিনি। পরে ব্যাগ খুলে দিলে সেখান থেকে ডিম ও রুটি বেরিয়ে আসে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানশিক্ষক রেশমা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। পরে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন