সরকারি উদ্যোগে পাহাড়ি ফল রপ্তানির আহ্বান সংসদ সদস্য মাধবী মারমা'র
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬ ৮:৩৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
সরকারি উদ্যোগে পার্বত্য অঞ্চলের উৎপাদিত পাহাড়ি ফল বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। একই সঙ্গে নিরাপদ ও মানসম্মত ফল উৎপাদনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী পাহাড়ি ফল মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মাধবী মারমা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে উৎপাদিত ফলের স্বাদ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় ভিন্ন ও অনন্য। তবে বাজারে ফরমালিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিকযুক্ত ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এ কারণে পাহাড়ি ফলচাষিদের নিরাপদ উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের ফল সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে কী পরিমাণ ও কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে নিরাপদ ফল উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও পাহাড়ি ফল রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।
‘পাহাড়ি ফলের ঘ্রাণ, বৈচিত্র্যময় প্রাণ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই মেলার উদ্বোধন করেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই মেলা আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের মেলায় বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার মোট ৩০টি স্টল অংশ নিয়েছে। এসব স্টলে আম, আনারস, কাঁঠাল, কলা, রক্তফল (রসকো), রাম্বুটান ও বুনো বেলের মতো বিভিন্ন দেশীয় ও পাহাড়ি ফল প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।
আয়োজকরা আশা করছেন, এই মেলা পাহাড়ি ফলের বাজার সম্প্রসারণ, কৃষকদের পণ্যের প্রচার এবং পার্বত্য অঞ্চলের কৃষি ও সংস্কৃতিকে দেশব্যাপী আরও পরিচিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১২০ বার পড়া হয়েছে