খুলনায় ১৮০ দিনে ৬০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬ ৫:০২ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে খুলনা মহানগরীতে ১৮০ দিনের মধ্যে ৬০ হাজার গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরীতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে নগরজুড়ে ৬০ হাজার গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরীতেও এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পরপরই খুলনায় এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কেসিসির তত্ত্বাবধানে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে ৬০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ হাদিস পার্কে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রশাসক। এ সময় উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
কেসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা নার্গিস আলী, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত শুভ, কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ খালেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইরুফা সুলতানা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সরদার শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
১২১ বার পড়া হয়েছে