ফরিদপুরে তৌহিদুল হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬ ৫:৪২ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার বহুল আলোচিত তৌহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ওয়াহিদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে শনিবার উপজেলার ভাটপাড়া এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার আলোচিত তৌহিদুল ইসলাম (২৬) হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ওয়াহিদুর রহমান (৪২)কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১০)।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলার ভাটপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ওয়াহিদুর রহমান ওই এলাকার মৃত ওলিযার রহমানের ছেলে।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ১ জুন দুপুরের দিকে তৌহিদুল ইসলাম পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
পরে ৩ জুন সকালে বোয়ালমারী উপজেলার ভাটপাড়া এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে তৌহিদুল ইসলামের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, তৌহিদুল ইসলাম শিগগিরই বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ নিয়ে ঈর্ষান্বিত হয়ে দুর্বৃত্তরা তাঁকে নির্যাতনের পর হত্যা করে মরদেহ পাটক্ষেতে ফেলে রেখে যায় বলে তাঁদের ধারণা।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে ৫ জুন বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর মামলাটির রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওয়াহিদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
বিকেলে র্যাব-১০-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে র্যাব সব সময় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে আসছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
১২১ বার পড়া হয়েছে