সর্বশেষ

জাতীয়

সুনীল অর্থনীতির সুরক্ষায় কাজ করছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ ৮:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেছেন, দেশের সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু-ইকোনমিকে বাস্তব উন্নয়নের ভিত্তিতে রূপ দিতে সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।

বৃহস্পতিবার সকালে বানৌজা শের-ই-বাংলা প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪৪১ জন নবীন নাবিকের বুটক্যাম্প প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নৌপ্রধান বলেন, জাতীয় উন্নয়নে ব্লু-ইকোনমি এখন কৌশলগত অগ্রাধিকারের জায়গা দখল করেছে। বঙ্গোপসাগরে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এই সমুদ্র এলাকায় রয়েছে বিপুল মৎস্যসম্পদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ ব্যবহারের সুযোগ, যা দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ ও সমুদ্রসীমা রক্ষায় নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নৌবহরে যুক্ত হয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ, হেলিকপ্টার, আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি। পাশাপাশি বানৌজা নবযাত্রা ও জয়যাত্রা নামে দুটি সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখন ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

এডমিরাল এম নাজমুল হাসান জানান, ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়াতে নতুন নৌঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ এবং আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দেশের প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে নৌবাহিনীর সদস্যরা সর্বদা প্রস্তুত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এবং নবীন নাবিকদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নৌপ্রধান প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। পরে নবীন নাবিকরা জাতীয় পতাকা স্পর্শ করে দেশের সেবায় জীবন উৎসর্গের শপথ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ কৃতিত্ব অর্জনকারী নাবিকদের মাঝে পদক বিতরণ করা হয়। সেরা চৌকশ নাবিক হিসেবে শাহরিয়ার টুটুল ‘নৌপ্রধান পদক’, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী সামিউল ইসলাম শাকিল ‘কমখুল পদক’, তৃতীয় স্থান অর্জনকারী কাদের মিয়া ‘শের-ই-বাংলা পদক’ এবং সেরা চৌকশ নারী নাবিক হিসেবে মারিয়া আক্তার ‘প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার পদক’ লাভ করেন।

১৯৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন