বিপিএল দুর্নীতির অভিযোগে আরও দুই কর্মকর্তা নিষিদ্ধ
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৮ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ দুই আসরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে আরও দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি। অভিযুক্ত দুজন হলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক মো. আবদুল কাইয়ুম রাশেদ এবং দুর্বার রাজশাহীর ১১তম ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ১২তম আসরের সাবেক কর্মকর্তা মো. আমিন খান।
বিপিএলের সর্বশেষ দুই আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে আরও দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের অ্যান্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক মো. আবদুল কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল বা ম্যাচের গতিপথ প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে না জানানো, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা তদন্তের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা।
তদন্তে অসহযোগিতার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিসিবি জানিয়েছে, কাইয়ুম রাশেদ তাঁর ব্যবহৃত প্রধান মুঠোফোনটি বোর্ডের দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাদের কাছে জমা দেননি। ফলে ফোনটির ফরেনসিক পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এতে সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও তথ্য যাচাইয়ের সুযোগও সীমিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দুর্বার রাজশাহীর ১১তম আসর এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসের ১২তম আসরের সাবেক কর্মকর্তা মো. আমিন খানের বিরুদ্ধেও চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আমিন খানের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা ম্যাচের কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা, কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিতে উৎসাহিত বা সহায়তা করা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বা তথ্য গোপন বা নষ্ট করার অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য কাইয়ুম রাশেদ ও আমিন খান—দুজনই ১৪ দিন সময় পাবেন। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা অনুযায়ী চলমান শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁদের এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
১০৮ বার পড়া হয়েছে