৬ জুনের মধ্যে ইউপি নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা: ইসি
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে দেশের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তবে ভোট শুরুর নির্দিষ্ট সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে কমিশন এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে সবাই সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি এবং সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ নিয়েও মতামত নেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলেও জানান তিনি।
নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, বৃহস্পতিবারের বৈঠক থেকে যেসব তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে, সেগুলো কমিশন সভায় পর্যালোচনা করা হবে। এরপর নির্বাচন শুরুর সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে সারা দেশে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও এরপর শুরু হবে পবিত্র রমজান। একই সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাবলিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সীমিত সময়ের মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করছে কমিশন।
বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এ ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা–সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই ও ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।
এর আগে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তখন সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে এখনো নির্বাচনের চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হয়নি।
১১১ বার পড়া হয়েছে