সর্বশেষ

সারাদেশ

কুমারখালীতে সরকারি জমি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, মামলা নিয়ে উত্তেজনা

শামীম বিন সাত্তার
শামীম বিন সাত্তার

শনিবার, ২ মে, ২০২৬ ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার শেরকান্দী মৌজায় লীজকৃত সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সেখানে বালু দিয়ে পুকুর ভরাটের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ‘ক’ তফশিলভুক্ত ৪৩৫-৫(এক্স) ৬৮-৬৯ নম্বর দাগের জমি কুমারখালী উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সর্বশেষ গোলাম মুর্শিদ মিলন নামের ব্যক্তির অনুকূলে লীজ প্রদান করা হয়। বর্তমানে ওই লীজ কার্যকর রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, লীজ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে একটি জাল দলিলের সূত্র ধরে ‘ক’ তফশিলের জমিকে ‘খ’ তফশিল হিসেবে দেখিয়ে কুমারখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা (মামলা নং ৭৭/২৫) দায়ের করা হয়।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, উক্ত মামলায় সরকারি স্বার্থ রক্ষা না করে এবং ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা গ্রহণের উদ্দেশ্যে কুমারখালী পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তরিকুন নাহার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তিনি পরস্পর যোগসাজসে আদালতে ‘ক’ তফশিলের জমিকে ‘খ’ তফশিল হিসেবে উপস্থাপন করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

শেরকান্দী মৌজার খতিয়ান নং ২৯৮ ও ২৯৯ অনুযায়ী আরএস দাগ নং ১৩৩৭ ও ১৩৩৮-এর মোট জমির পরিমাণ ০.৩২ একর, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে ওই জমিতে বালু দিয়ে ভরাটের কাজ চলায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে আপিল এবং তথ্য গোপন ও মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তরিকুন নাহারের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চাকরি হারানোর ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করে তিনি চাকরি ফিরে পান। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, এরপরও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।

 

১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন