সর্বশেষ

সারাদেশ

কালবৈশাখীতে ভেঙে গেল শেষ আশ্রয়, খোলা আকাশের নিচে পরিবার

আবদুর রহিম, নোয়াখালী
আবদুর রহিম, নোয়াখালী

শনিবার, ২ মে, ২০২৬ ১২:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর পর বহু কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও কালবৈশাখীর ঝড়ে হারিয়েছেন কৃষক জসিম উদ্দিন।

বর্তমানে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

জানা গেছে, সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন একসময় নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কারণে সেখান থেকেও সরে যেতে বাধ্য হন। সবশেষে বেড়িবাঁধের পাশে খাস জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে একটি ছোট ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় তার সেই ঘর। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের জায়গায় পড়ে আছে ভাঙা টিন, ছিন্ন বাঁশ ও ধ্বংসস্তূপ।

ঘটনার চার দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাননি জসিম উদ্দিন। বর্তমানে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে। নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন তারা।

জসিম উদ্দিনের স্ত্রী অজিবা খাতুন বলেন, “আমাদের থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেটুকু ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না, বসে বসেই রাত কাটাতে হয়। নদী আমাদের ভিটেমাটি নিয়েছে, বাঁধের সময় আশ্রয় হারিয়েছি। শেষমেশ এই ছোট ঘরটাই ভরসা ছিল। কালবৈশাখী সেটাও কেড়ে নিল। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয়রা জানান, উপকূলীয় এলাকায় এ ধরনের অনেক পরিবারই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। তবে ধারাবাহিক দুর্যোগে তাদের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারটির জন্য দ্রুত একটি নিরাপদ স্থায়ী আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। খোঁজ নিয়ে তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।”

১২১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন