সর্বশেষ

আইন-আদালত

১২ বছর পর মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলার বিচার শুরু

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইসলামী ফ্রন্টের নেতা ও টেলিভিশনে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর পর মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার নবম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. শহিদুল ইসলামের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ৬ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কারাগারে থাকা আসামি হাদিসুর রহমান সাগরকে ভার্চ্যুয়ালি অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। জামিনে থাকা তিন আসামির অব্যাহতির আবেদন আদালত নাকচ করেছেন। তবে অপর দুই আসামি পলাতক থাকায় তাঁদের বিষয়ে কোনো শুনানি হয়নি।

মামলার ছয় আসামি হলেন হাদিসুর রহমান ওরফে সাগর, আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রফিকুল ইসলাম ফারদীন, আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী, মাহমুদ ইবনে বাশার এবং রতন চৌধুরী ওরফে ইঞ্জিনিয়ার রিপন ওরফে রাকিবুল ইসলাম রিয়াজ।

জামিনে থাকা আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, ইঞ্জিনিয়ার ওরফে রিয়াজ ওরফে রিপন এবং আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী আদালতে হাজিরা দেন। অন্যদিকে, আসামি মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন পলাতক রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার কে এম আবুল কাশেম ছয়জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে আরও ১২ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে দুর্বৃত্তরা মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীর বাসার কলিং বেল চাপ দেয়। দরজা খুললে দুজন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে তাঁর সঙ্গে বসার ঘরে বসেন। কিছুক্ষণ পর আরও ছয় থেকে সাতজন সেখানে ঢোকেন।

বসার জায়গার সংকুলান না হওয়ায় ফয়সাল ফারুকীর মামাতো ভাই মারুফ হোসেন ভেতর থেকে চেয়ার আনতে যান। ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, আসামিরা নুরুল ইসলাম ফারুকীর মাথায় পিস্তল ও চাপাতি ধরে রেখেছেন। পরে তাঁরা বাসার সবাইকে বেঁধে ফারুকীকে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ফয়সাল ফারুকী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আট থেকে ১০ জনকে আসামি করে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

নুরুল ইসলাম ফারুকী চ্যানেল আইয়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘কাফেলা’ ও ‘শান্তির পথে’ এবং মাই টিভির সরাসরি অনুষ্ঠান ‘সত্যের সন্ধানে’র উপস্থাপক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদের খতিব ছিলেন।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
আইন-আদালত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০