প্রভাব খাটিয়ে কমিটি গঠন ও নির্বাচন নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক, ভুয়া ভোটার বাদ দিয়ে অন্তর্বর্তী কমিটির দাবি
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১:০৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
আফতাবনগরের জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভোটার তালিকা, নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচন পরিচালনার বৈধতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভুয়া ও অযোগ্য ভোটার বাদ দিয়ে তালিকা পুনরীক্ষণ, অভিযোগ তদন্ত এবং বর্তমান কমিটির পরিবর্তে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন সোসাইটির কয়েকজন ভোটার ও সম্ভাব্য প্রার্থী। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান কমিটির প্রভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
রাজধানীর আফতাবনগরের জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির আসন্ন কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভোটার তালিকায় ভুয়া ও অযোগ্য ভোটার অন্তর্ভুক্তি, একতরফাভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন এবং বর্তমান কমিটির প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের পছন্দের কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সোসাইটির প্রভাবশালী ব্যক্তি মো. আলমগীর হোসেন ঢালী।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি সোসাইটির সাংগঠনিক কার্যক্রম ও কমিটি গঠনে প্রভাব বিস্তার করেছেন। এবারও একই কৌশলে বর্তমান কমিটির নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে নিজেদের অনুগত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার বিষয়টিও তুলে ধরেছেন অভিযোগকারীরা। তাঁদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ৮ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে। তবে দাখিল করা আবেদনে বাড্ডা ও রামপুরা থানার তিনটি মামলার নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। এসব মামলার বর্তমান অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ পরিস্থিতিতে বিতর্কিত ভোটার তালিকা বাতিল ও পুনরীক্ষণ, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী কমিটির মাধ্যমে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান কমিটির অধীনে নির্বাচন হলে তা নিয়ে নতুন করে বিরোধ ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তেজগাঁও সার্কেলের উপপরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সোসাইটির ভোটার ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। আবেদনে বর্তমান ভোটার তালিকার অনিয়ম তদন্ত, নির্বাচন কমিশন গঠনের বৈধতা যাচাই এবং বিতর্কিত নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিতের দাবি জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, সোসাইটির ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করা ভোটার তালিকায় গঠনতন্ত্রের বিধান উপেক্ষা করে একাধিক ব্যক্তিকে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই প্লটের বিপরীতে নির্ধারিত সংখ্যার অতিরিক্ত ভোটার, প্রকৃত প্লটমালিক না হয়েও ক্ষমতাপত্র বা অবহিতকরণের ভিত্তিতে ভোটার হওয়া এবং প্লট বিক্রির পরও আগের মালিকের নাম তালিকায় বহাল রাখার মতো অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
এর উদাহরণ হিসেবে আফতাবনগরের এফ ব্লকের ২ নম্বর সেক্টরের ০৬ নম্বর প্লটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই একটি প্লটের বিপরীতে ভোটার তালিকায় ইরা রহমান, মো. মামুন খান ও মো. আলা উদ্দিন—এই তিনজনের নাম রয়েছে। গঠনতন্ত্রে নির্ধারিত ভোটাধিকারের সীমার সঙ্গে এ অন্তর্ভুক্তি সাংঘর্ষিক বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, এইচ ব্লকের ২ নম্বর রোডের ২০ নম্বর প্লটের সাবেক মালিক অধ্যাপক আবদুল মজিদের নামও ভোটার তালিকায় বহাল রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর ভোটার নম্বর ৮২০। অভিযোগকারীদের দাবি, প্লট বিক্রি বা হস্তান্তরের পর সদস্যপদ ও ভোটাধিকার বহাল রাখার বৈধতা যাচাই না করেই নামটি তালিকায় রাখা হয়েছে।
এছাড়া ভোটার তালিকার ১৬ থেকে ২৫ পর্যন্ত ১০ নাম্বার প্লটের ভোটার রয়েছে। অথচ একটি প্লটে মাত্র দুইটি ভোটার থাকার কথা। এভাবে অসংখ্য ভুয়া ভোটার রয়েছে তালিকায়।
আবেদনকারীর দাবি, এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ভোটার তালিকার পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা করা হলে এ ধরনের আরও অসংগতি পাওয়া যেতে পারে। তাই প্লটের মালিকানা দলিল, সদস্য নিবন্ধন, হস্তান্তর রেকর্ড ও ক্ষমতাপত্র যাচাই করে প্রকৃত ভোটার নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও মামলার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মো. আলমগীর হোসেন ঢালীর ঠিকানা আফতাবনগরের সি ব্লকের ২ নম্বর রোডের ১১ নম্বর প্লট হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
তাঁর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানার মামলা নম্বর ৩৫(০৪)২৫ এবং রামপুরা থানার মামলা নম্বর ১৯(০২)২৫ ও ১৫(০৩)২৫ উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৮ থেকে ১০টি মামলা রয়েছে। তবে উল্লিখিত তিনটি মামলার বাইরে অন্য মামলাগুলোর নম্বর, অভিযোগের ধরন ও বর্তমান বিচারিক অবস্থা আবেদনে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপিত হয়নি।
অভিযোগকারীদের বক্তব্য, অতীতে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে সোসাইটির কমিটি গঠন ও পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। এবারও বর্তমান কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আলমগীর হোসেন ঢালীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আবেদনে সোসাইটির প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও একাধিক অনিয়মের অভিযোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বার্ষিক নিরীক্ষা, সাধারণ সভা আহ্বান ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজসেবা অধিদপ্তর ১৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়।
পরবর্তীতে ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা সরকারি পত্রে ২১ সেপ্টেম্বর সোসাইটির কার্যালয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়।
এ অবস্থায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা ২৯ সেপ্টেম্বর লিখিতভাবে সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের আবেদন করেন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, সেই আবেদন যথাযথভাবে নিষ্পত্তি না করেই ৩০ সেপ্টেম্বর সোসাইটির আদেশ নম্বর ০৯/২০২৬-৮১৭-এর মাধ্যমে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। কমিশন ৩ অক্টোবর দায়িত্ব গ্রহণ করে।
এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সম্ভাব্য সভাপতি পদপ্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন কাজল ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার মো. রেজাউল হক ১ অক্টোবর সমাজসেবা অধিদপ্তরের তেজগাঁও সার্কেলের উপপরিচালকের কাছে আবেদন করেন। তাঁরা নির্বাচন কমিশন গঠনসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি এবং নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের দাবি জানান।
বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সমাজসেবা কর্তৃপক্ষের দেওয়া একটি নির্দেশকে কেন্দ্র করে। আবেদনে বলা হয়েছে, সোসাইটির প্রশাসনিক তদন্ত চলমান থাকায় বিদ্যমান কমিটি কর্তৃক নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনাকে বিধিসম্মত নয় বলে উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ নির্বাচনসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, ওই নির্দেশ প্রত্যাহার বা পরিবর্তনের কোনো পরবর্তী বৈধ সরকারি আদেশ তাঁদের জানা নেই। তা সত্ত্বেও পরবর্তী সময়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন গঠনসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন নম্বর ১৪২৩৪/২০২৬ দায়ের করা হয়। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৬ অক্টোবর আদালত রুল জারির পাশাপাশি সমাজসেবা অধিদপ্তরের তেজগাঁও সার্কেলের উপপরিচালককে ১ অক্টোবর দাখিল করা আবেদনটি আদালতের আদেশের অনুলিপি পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।
তবে আবেদনকারীর দাবি, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই আবেদন নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত তাঁদের জানানো হয়নি। এর মধ্যেই ১১ অক্টোবর পুনরায় নির্বাচন কমিশন গঠন এবং ২১ অক্টোবর নতুন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়।
বর্তমান ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি নিষ্পত্তি না হওয়া এবং নির্বাচন কমিশনের বৈধতা নিয়ে বিরোধ চলমান থাকায় অন্তর্বর্তী কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
তাঁদের বক্তব্য, বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ আগামী ২৫ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টি সামনে রেখে বিতর্কিত ভোটার তালিকা ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করা হলে প্রকৃত সদস্যদের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
আবেদনে সোসাইটির অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের ১৫ নম্বর ধারার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ধারায় নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচন কমিশন গঠন, তফসিল ঘোষণা এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাচন বিলম্বিত হলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ৯০ দিন নির্বাচন বিলম্বিত করা এবং পরবর্তী সময়ে সাধারণ সভার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধানও আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
আবেদনকারীদের দাবি, বর্তমান কমিটির অধীনে নির্বাচন আয়োজনের পরিবর্তে সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। ওই কমিটির মাধ্যমে প্রথমে সদস্যপদ ও ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই করতে হবে। ভুয়া, অযোগ্য ও গঠনতন্ত্রবহির্ভূত ভোটারদের বাদ দিয়ে প্রকৃত ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এরপর সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।
আবেদনে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কাছে পাঁচটি বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—বর্তমান ভোটার তালিকার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও সংশোধন, ৫ অক্টোবরের সরকারি নির্দেশের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১ অক্টোবরের আবেদন নিষ্পত্তি, ৩০ সেপ্টেম্বর ও ১১ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তের বৈধতা যাচাই এবং ২১ অক্টোবর ঘোষিত নির্বাচনী তফসিলের কার্যক্রম স্থগিত রাখা।
এ ছাড়া বিতর্কিত বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কমিটির অধীনে নির্বাচন না করে আইনানুগ অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনকারীর মতে, একটি সংগঠনের নির্বাচন কেবল ভোট গ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার বিষয় নয়। এর সঙ্গে প্রকৃত সদস্যদের ভোটাধিকার, গঠনতন্ত্রের মর্যাদা এবং প্রশাসনিক ও বিচারিক নির্দেশনার প্রতিপালন জড়িত। তাই বিতর্কিত ভোটার তালিকা ও নির্বাচন কমিশনের বৈধতা নিশ্চিত না করে নির্বাচন আয়োজন করা হলে সোসাইটিতে বিদ্যমান বিরোধ আরও বাড়তে পারে।
জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে বিষয়টির নিষ্পত্তি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে, জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির আসন্ন কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টির বিষয়ে মো. আলমগীর হোসেন ঢালীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এখানে যে ভুয়া ভোটার আছে আপনারা জানেন। আমরাও জানি। বুঝতেও পারছি। কিন্তু এমন কিছু লোক ঢালী সাহেবদের সঙ্গে আছে, আমরা কতোটা করতে পারবো জানি না। তবে উর্দ্ধতনের নির্দেশ আছে, চেষ্টা করছি।
১৩০ বার পড়া হয়েছে