খাজা ইউনুস আলী এনায়েতপুরীর ১৪১তম আবির্ভাব দিবস কাল
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুফি সাধক ও মোজাদ্দেদিয়া তরিকার পথপ্রদর্শক হযরত খাজা শাহ সুফী ইউনুস আলী এনায়েতপুরী (রঃ)-এর ১৪১তম আবির্ভাব দিবস কাল শুক্রবার (২১ কার্তিক)। এ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফে জিকির-আজগার, মিলাদ মাহফিলসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিবসটি উদযাপন করতে দেশ-বিদেশের হাজারো আশেকান ও ভক্তদের আগমন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালনে দরবার শরীফ কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। শুক্রবার বাদ ফজর মাজার জিয়ারত, দরুদ পাঠ ও জিকির-আজগারের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। বাদ জুমা খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে (১২৯৩ বঙ্গাব্দের ২১ কার্তিক) সুবেহ সাদেকের সময় এনায়েতপুরীর আত্মপ্রকাশ ঘটে। তাঁর পৈতৃক বংশধারা ইয়েমেনের ফাতেমী অর্থাৎ সৈয়দ বংশ এবং মাতৃকুল ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রঃ)-এর বংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। সুফিবাদের আদর্শ প্রচার ও মানবসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি মুসলিম জাহানে একজন অবিসংবাদিত সংস্কারক হিসেবে পরিচিত।
এনায়েতপুরী (রঃ) সুদূর আসামসহ সমগ্র বাংলায় ইসলামের শান্তির বাণী আমৃত্যু প্রচার ও প্রসার করে গেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সুফি দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার আধ্যাত্মিক কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। আটরশি, চন্দ্রপাড়া, শম্ভুগঞ্জসহ উপমহাদেশের ১২ শতাধিক দরবার শরীফ ও পীর-মাশায়েখ তাঁরই খেলাফত প্রাপ্ত আদর্শ অনুসরণ করে ধর্ম প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২ মার্চ এই মহান সাধক ওলিয়ে কামেল ইন্তেকাল করেন। বর্তমানে এনায়েতপুর পাক দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তাঁর দৌহিত্র হযরত খাজা গোলাম মেহেদী।
১২৮ বার পড়া হয়েছে