সর্বশেষ

প্রযুক্তি

বাসায় ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর ৫ সহজ উপায়

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাসায় ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে ওয়াই-ফাইয়ের ধীরগতিতে ভোগান্তিতে পড়েন অনেকেই। অনলাইনে কাজ, ভিডিও কল কিংবা সিনেমা দেখা—সব ক্ষেত্রেই ধীরগতির সংযোগ বিরক্তির কারণ হয়ে ওঠে। তবে রাউটারের অবস্থান পরিবর্তনসহ কয়েকটি সহজ কৌশল অনুসরণ করলে ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও সংযোগের মান উন্নত করা সম্ভব।

বর্তমানে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, টেলিভিশন ও স্মার্ট স্পিকারসহ বিভিন্ন ডিভাইসে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বাড়ির ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করতে হয়। একই নেটওয়ার্কে একাধিক ডিভাইস যুক্ত থাকলে কিংবা রাউটারের অবস্থান ঠিক না হলে ইন্টারনেটের গতিতে প্রভাব পড়তে পারে।

ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াতে কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

১. রাউটার রাখুন সঠিক জায়গায়

ওয়াই-ফাইয়ের সংকেত কতটা ভালো পাওয়া যাবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে রাউটারের অবস্থানের ওপর। রাউটার ঘরের মাঝামাঝি খোলা ও উঁচু জায়গায় রাখলে বিভিন্ন কক্ষে সংকেত পৌঁছাতে সুবিধা হয়।

দেয়াল, বড় আসবাবপত্র কিংবা বন্ধ আলমারির আড়ালে রাউটার রাখা উচিত নয়। পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে দূরে রাখলে সংকেতের বাধা কমতে পারে।

২. উপযুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যান্ড ব্যবহার করুন

আধুনিক অনেক রাউটারে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ—দুটি ব্যান্ড ব্যবহারের সুবিধা থাকে।

৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড তুলনামূলক বেশি গতি দিতে পারে। তাই অনলাইন গেম, ভিডিও কল কিংবা দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য এটি উপযোগী। অন্যদিকে, ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ডের সংকেত তুলনামূলক বেশি দূরত্বে পৌঁছায় এবং দেয়াল ভেদ করে যাওয়ার সক্ষমতাও বেশি। ফলে রাউটার থেকে দূরে থাকা ডিভাইসের জন্য এই ব্যান্ড কার্যকর হতে পারে।

৩. রাউটার বন্ধ করে আবার চালু করুন

ইন্টারনেটের গতি হঠাৎ কমে গেলে রাউটার বন্ধ করে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে আবার চালু করতে পারেন। এতে রাউটারের সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যা দূর হতে পারে এবং সংযোগ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

দীর্ঘ সময় ধরে রাউটার চালু থাকলে মাঝেমধ্যে পুনরায় চালু করাও কার্যকর হতে পারে। তবে এটি ইন্টারনেটের সব ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়।

৪. অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন

একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে অনেক ডিভাইস যুক্ত থাকলে ইন্টারনেটের ওপর চাপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে একাধিক ডিভাইসে একই সময়ে ভিডিও দেখা, বড় ফাইল নামানো কিংবা অনলাইন গেম খেলার কারণে সংযোগের গতি কমে যেতে পারে।

রাউটারের অ্যাপ বা সেটিংস থেকে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর তালিকা দেখে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারেন। এতে নেটওয়ার্কের ব্যবহার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

৫. প্রয়োজনে পুরোনো রাউটার পরিবর্তন করুন

দীর্ঘদিন ব্যবহৃত পুরোনো রাউটার নতুন ইন্টারনেট সংযোগের পূর্ণ গতি দিতে নাও পারে। এ ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির রাউটার ব্যবহার করলে সংযোগের মান ও কার্যক্ষমতা উন্নত হতে পারে।

তবে নতুন রাউটার কেনার আগে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সংযোগের গতি, রাউটারের সক্ষমতা এবং বাসার আকার বিবেচনা করা জরুরি।

সমস্যা থাকলে যোগাযোগ করুন সেবাদাতার সঙ্গে

এসব পদক্ষেপ নেওয়ার পরও ওয়াই-ফাইয়ের গতি সন্তোষজনক না হলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। সংযোগে কোনো সমস্যা আছে কি না, রাউটারে ত্রুটি রয়েছে কি না কিংবা বাড়ির নির্দিষ্ট অংশে সংকেত দুর্বল কি না, তা পরীক্ষা করতে বলতে পারেন।

১২৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
প্রযুক্তি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০