সর্বশেষ

সারাদেশ

কুড়িগ্রাম পরিবার পরিকল্পনা অফিসে রান্নার আয়োজন ও বিছানা, প্রশ্নবিদ্ধ পরিবেশ

আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম
আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম

মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ৮:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের কার্যালয়ে দাপ্তরিক সরঞ্জাম ও নথিপত্রের পাশাপাশি দেখা গেছে রান্নার সামগ্রী, খাবার টেবিল ও বিশ্রামের বিছানা। সরকারি দপ্তরের কক্ষগুলোতে ব্যক্তিগত ব্যবহারের এসব উপকরণ রাখার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।

সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের কার্যালয়কে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে দাপ্তরিক নথিপত্র ও সরঞ্জামের পাশাপাশি রান্না, খাবার পরিবেশন এবং বিশ্রামের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ দেখা গেছে। এতে সরকারি অফিসের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।

সম্প্রতি কার্যালয়টি ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন কক্ষে প্রয়োজনীয় ফাইলপত্র ও দাপ্তরিক সরঞ্জামের সঙ্গে রাখা হয়েছে রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, কারি কুকার ও থালা-বাসনসহ রান্নার নানা উপকরণ। কোনো কক্ষে খাবার তৈরির সরঞ্জাম, আবার কোথাও খাওয়ার জন্য আধুনিক টেবিল ও চেয়ার রয়েছে। এ ছাড়া খাবার শেষে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বিছানাও রাখা হয়েছে।

একটি সরকারি দপ্তরের ভেতরে ব্যক্তিগত ব্যবহারের এসব সামগ্রীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কার্যালয়ের কক্ষগুলো কী প্রয়োজনে এভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এসব সরঞ্জাম কার এবং সরকারি জায়গায় এগুলো রাখার অনুমতি কে দিয়েছেন—তা জানতে চাচ্ছেন সচেতন নাগরিকেরা।

সরকারি কার্যালয় মূলত জনগণকে সেবা প্রদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত। সেখানে ব্যক্তিগত আবাসিক ব্যবহারের মতো পরিবেশ তৈরি হলে দাপ্তরিক শৃঙ্খলা, কর্মপরিবেশ এবং সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি অফিসের প্রতিটি কক্ষ ও আসবাবপত্র জনগণের অর্থে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের সম্পদ। এসব স্থানের ব্যবহার সরকারি বিধিবিধান ও দাপ্তরিক প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া জরুরি। তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টা তেমন না, তবে মাঝে মধ্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।’

সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের এমন পরিবেশের বিষয়ে যথাযথ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

১৩৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০