সর্বশেষ

সারাদেশ

বান্দরবানে তিন দিনব্যাপী নারী আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মো: আরিফ, বান্দরবান
মো: আরিফ, বান্দরবান

রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬ ৬:০৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্য দূর করা এবং নারী মুক্তির আন্দোলনকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী নারী আঞ্চলিক সম্মেলন। গত ২৯ অক্টোবর শুরু হওয়া এ সম্মেলন ৩১ অক্টোবর বিকেলে শেষ হয়। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা ছাড়াও কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের প্রায় ৭০ জন নারী প্রতিনিধি অংশ নেন।

নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক অবস্থান প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নারী আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয়ে বান্দরবানে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে দুর্বার সংগঠনের প্রতিনিধি, তৃণমূল নারী সংগঠনের সদস্য, হেডম্যান, কারবারি, জনপ্রতিনিধি ও তরুণীরা অংশ নেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে বান্দরবানের ইলিডে ইন রিসোর্টের সভাকক্ষে সম্মেলন শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নারীপক্ষের সদস্য কামরুন নাহার, সংগঠনটির সদস্য ও আন্দোলন সম্পাদক গীতা দাশ এবং নারীনেত্রী ও মানবাধিকারকর্মী ডনাই প্রু নেলী উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সম্মেলনের লক্ষ্য, আলোচনার বিষয়বস্তু এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে কামরুন নাহার বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে নারীপক্ষ নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন এবং নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে। নারীদের নিজেদের কথা বলার সুযোগ তৈরি করা এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়া সংগঠনটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, নারী আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে সারা দেশে বিভিন্ন নারী সংগঠনের সমন্বয়ে দুর্বার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। নারীপক্ষের সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রম ও নিজেদের সময় ব্যয় করে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ ছাড়া আন্দোলনের পরিধি বাড়াতে বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহযোগিতায় পরীক্ষামূলক প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কামরুন নাহার আরও বলেন, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারী অধিকারসম্পন্ন নাগরিক এবং মর্যাদাবান মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবেন—এটাই নারীপক্ষের প্রত্যাশা। বাংলাদেশে নারীর অধিকার নিশ্চিত করা এবং সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনে সংগঠনটি আরও অগ্রণী ভূমিকা রাখতে চায়।

সমাপনী বক্তব্যে নারীনেত্রী ও মানবাধিকারকর্মী ডনাই প্রু নেলী বলেন, নারীর অধিকার বাস্তবায়ন এবং বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের নারীদের এগিয়ে নিতে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া নারীরা নিজেদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও মতামত তুলে ধরেছেন। এসব আলোচনা পাহাড়ের নারীদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি নারী মুক্তির আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি নারীর সহিংসতামুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

১৩১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০