সর্বশেষ

জাতীয়

বায়তুল মোকাররমের খতিবকে অপসারণের দাবি নিয়ে বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে অপসারণের দাবির অভিযোগ ঘিরে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছেন একদল মুসল্লি। শুক্রবার জুমার নামাজের পর মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে জামায়াতে ইসলামী ও দলটির প্রতিষ্ঠাতা মওদূদীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। তবে খতিবকে অপসারণের বিষয়ে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে অপসারণের দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর মসজিদের উত্তর গেটে একদল মুসল্লি বিক্ষোভ করেন।

ওলামা দল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় ‘জামায়াত-শিবিরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এবং ‘মওদূদীর আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মসজিদের উত্তর গেট এলাকা।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তি বলেন, জাতীয় মসজিদের খতিব মিম্বারে থাকবেন এবং মুসল্লিদের নামাজ পড়াবেন। তিনি আরও বলেন, ইসলাম কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়; ইসলাম আল্লাহর, তৌহিদীদের এবং মুসলমানদের।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নিয়েছিল। বিএনপির সমর্থনে চারটি আসনে দলীয় প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কোনো আসনেই জয় পায়নি দলটি।

সম্প্রতি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ এবং কওমি আলেমদের একাংশের দলটির সঙ্গে রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট আলেমদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আব্দুল মালেককে কওমি আলেমদের জামায়াতের জোটে যুক্ত হওয়াকে ‘গোমরাহি’ বা ‘পথভ্রষ্টতা’ হিসেবে বর্ণনা করতে শোনা যায়। একই বক্তব্যে জামায়াতের লোগোতে থাকা ‘আকিমুদ-দ্বীন’ শব্দের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

খতিবের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে ইসলামের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি জানানোর সময় তাঁকে ‘নাউজুবিল্লাহ’ বলতেও শোনা যায়।

তাঁর এসব বক্তব্যের পর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও জোরালো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বিক্ষোভ ও জামায়াতবিরোধী স্লোগানের ঘটনা ঘটে। তবে খতিবকে অপসারণের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০