আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গাজী নজরুলের আবারও রিমান্ড
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
প্রথম দফার রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার গাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও রিমান্ডের আবেদন করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম দফার চার দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ডিবির একটি সাদা গাড়িতে করে গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সেখান থেকে বিচারকের সামনে হাজির করা হলে শুনানির সময় তিনি আসামির কাঠগড়ায় রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের আবেদন বাতিল করে গাজী নজরুল ইসলামের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিটে আদেশ দেন বিচারক।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
পরে একই রাতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রাতেই মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
রিমান্ড শেষে গত ২২ সেপ্টেম্বর মাকছুদা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর গাজী নজরুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাঁকে আবারও রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।
এদিকে, গতকাল বুধবার মামলার তৃতীয় আসামি ওবায়দুর রহমানকে ঢাকার বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি–২। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
১৩৪ বার পড়া হয়েছে