এক দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন আরাগচি, ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠক
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক দিনের সফরে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চীন যাচ্ছেন। সফরে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির আসন্ন চীন সফরকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এক দিনের সফরে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের পাশাপাশি আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার আরাগচির সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ফলে আরাগচির বেইজিং সফরকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও বৃহত্তর কূটনৈতিক সমীকরণের দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
এর আগে গত মে মাসে বেইজিংয়ে আব্বাস আরাগচিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ওয়াং ই। সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠকের আগে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর বেইজিংয়ে ওয়াং ই ও আরাগচির মধ্যে অনুষ্ঠেয় বৈঠকটি হবে তাদের দ্বিতীয় সরাসরি বৈঠক। এর আগে গত সপ্তাহের শেষ দিকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনেও দুজন অংশ নেন। সেখানে তাঁদের সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কথা বলতে দেখা যায়।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
পরে এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সংঘাতের প্রভাব নিয়ে আঞ্চলিক উদ্বেগ বাড়ার পাশাপাশি তা বন্ধে বিভিন্ন পক্ষের কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে আরাগচি ও ওয়াং ইয়ের বৈঠকে চলমান সংঘাত, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
১০৬ বার পড়া হয়েছে