ইরান
ইরানের বিভিন্ন স্থানে আবারও মার্কিন বিমান হামলা
ছয় দিনের বিরতির পর ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় আবারও বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এটি তাদের ভাষ্য অনুযায়ী ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’। হামলার পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং কিছু স্থানে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জর্ডানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, নিখোঁজ ১
জর্ডানে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুই মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন সেনা সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত ১৭ জুলাই সংঘটিত এ ঘটনায় কয়েকজন সেনা আহতও হন। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হামলার দায় স্বীকার করেছে।
ইরানে টানা সপ্তম রাতের হামলা, হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
ইরানে টানা সপ্তম রাতের মতো সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করাই এ অভিযানের লক্ষ্য। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণের দাবি করেছে ইরান, যদিও যুক্তরাষ্ট্র তা অস্বীকার করেছে। চলমান উত্তেজনায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
ইরান ছাড়ার অনুমতি পেলেন গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক ডেনা কারারি
ইরানে ২০২৪ সাল থেকে আটক থাকা ইরানীয়-আমেরিকান নাগরিক ডেনা কারারি মুক্তি পেয়েছেন। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক এই ৫৩ বছর বয়সী নারীকে দেশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে তেহরান। তাঁর মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর আইনজীবী জ্যারেড জেনসার।
ইরানের অবকাঠামোতে আরও হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আলোচনায় না এলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্য করে আরও হামলা চালানো হতে পারে। একই সময়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে দুই দেশের উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান আবারও শুরু : কংগ্রেসকে ট্রাম্পের আনুষ্ঠানিক নোটিশ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান আবারও শুরু হয়েছে। এ পদক্ষেপকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার দায়িত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে যুদ্ধক্ষমতা আইন, কংগ্রেসের ভূমিকা এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।