সর্বশেষ

সারাদেশ

ডজন মামলার পরোয়ানা নিয়ে আত্মগোপনে চারঘাটের শাহাবুর মেম্বার

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী
স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:৫৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শাহাবুর আলী ওরফে শাহাবুর মেম্বার ডজনখানেক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, আত্মগোপনে থেকেও তিনি তাঁর অনুসারীদের মাধ্যমে এলাকায় একটি শক্তিশালী মাদক ও অস্ত্রের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছেন। একাধিক থানায় মামলা থাকার পরও এই বিতর্কিত ব্যক্তি এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ফেনী ও নাটোরসহ দেশের বিভিন্ন থানায় এই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, মাদক ও সহিংসতার একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশি নথির তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীর পবা থানায় ২০১৫ সালের একটি মাদক মামলা এবং সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় ২০০৯ ও ২০১১ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় শাহাবুরের নাম রয়েছে। এছাড়া ২০২০ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা এবং চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একাধিক মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

চারঘাটের তাতারপুর ও কারিগরপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালান ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আসছে। ২০২২ সালের মার্চে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের জেরে শাহবাজ আলী নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়, যা এই এলাকায় শাহাবুর মেম্বারের মাদক সিন্ডিকেটের দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি স্থানীয়দের। এছাড়া সরকারি একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে অস্ত্র হাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্তও করা হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বড় চালান এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে হেরোইন ও ফেনসিডিল এনে রাজশাহী অঞ্চলে সরবরাহ করে শাহাবুরের অনুসারীরা। বানেশ্বর বাজারের একটি খাবারের হোটেলের আড়ালে অবৈধ অস্ত্রের লেনদেন এবং মাদক কারবার চালানো হতো বলেও জোরালো অভিযোগ রয়েছে। এই বিশাল চোরাচালান চক্রের মাধ্যমে শাহাবুর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন বলে জানা গেছে।

এই মাদক গডফাদারের বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখতে সিডিএম (ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট) পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

১২২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন