গোবিপ্রবিতে শিক্ষকদের ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে বিশেষ কর্মশালা
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) শিক্ষকদের ডিজিটাল দক্ষতা ও প্রযুক্তি-জ্ঞান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্কের (বিডিরেন) উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়ন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বিডিরেন) এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালার আয়োজন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান এবং আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান। উদ্বোধনী পর্বের সভাপতিত্ব করেন হিট প্রকল্পের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিডিরেনের ব্যবস্থাপক বিপ্লব চন্দ্র মহন্ত।
উদ্বোধনী পর্ব শেষ হওয়ার পর অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি বিশেষ মডিউলে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এই প্রশিক্ষণে বিডিরেনের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সেবা, শিক্ষা ও গবেষণায় জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের সঠিক কৌশল, সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা, ই-জার্নাল ব্যবহারের নিয়ম এবং গবেষণাকর্মে প্লেজিয়ারিজম বা নকল প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আরও উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতা অর্জন করবে এবং বৈশ্বিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেদের সফলভাবে সম্পৃক্ত করতে পারবে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষকরাই আমাদের জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাই দেশের অগ্রগতির জন্য প্রতিটি শিক্ষককে শিক্ষা ও আধুনিক গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সার্বিক মানোন্নয়নে ইউজিসি এবং বিডিরেন কর্তৃপক্ষের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন।
১১৯ বার পড়া হয়েছে