সর্বশেষ

খেলা

জিয়াদ ইব্রাহিমের শিরোপা জয়ে পর্দা নামল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশের

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে মিশরের জিয়াদ ইব্রাহিমের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’। ফাইনালে শ্রীলঙ্কার রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীকে সরাসরি ৩–০ সেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন বিশ্বের ১৪৪ নম্বর র‌্যাঙ্কিংধারী এই খেলোয়াড়।

রাজধানীর বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে উপমহাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্কোয়াশ টুর্নামেন্ট ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’। গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া পাঁচ দিনের এই আন্তর্জাতিক আসরে বিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়েরা অংশ নেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখান মিশরের জিয়াদ ইব্রাহিম। বিশ্বের ১৬৪ নম্বর র‌্যাঙ্কিংধারী শ্রীলঙ্কার রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীকে ৩–০ সেটে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন তিনি।

ফাইনাল শেষে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল মুহা. হাসান-উজ-জামান, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও প্রাইজমানি তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিপি (অবসরপ্রাপ্ত), নির্বাহী কমিটির সদস্যরা, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পরিচালক কর্নেল মহাসিনুল করিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়, আমন্ত্রিত অতিথি ও সাংবাদিকেরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ে কৃতিত্ব দেখানো স্কোয়াশ খেলোয়াড়দের সম্মাননা এবং ক্ষুদে স্কোয়াশ খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পুরস্কার বিতরণীর মূল পর্বে খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি, মেডেল ও প্রাইজমানি তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান তরুণ প্রতিভাবান পারভেজ করিম। এরপর দ্বিতীয় রানার্সআপ মিশরের মোহাম্মদ গহর, প্রথম রানার্সআপ ইরানের সেফের এতেমাদপুর, রানার্সআপ শ্রীলঙ্কার রভিন্দ্র লক্ষীশ্রী এবং চ্যাম্পিয়ন জিয়াদ ইব্রাহিমকে পুরস্কৃত করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, ‘ক্লাসরুম স্কোয়াশ’, খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ এবং ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’র মতো ধারাবাহিক কর্মসূচির সুফল এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক এই আয়োজন শুধু বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিং ও অভিজ্ঞতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে না, একই সঙ্গে বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশকে সম্ভাবনাময় স্কোয়াশ গন্তব্য হিসেবেও পরিচিত করছে।

আয়োজকদের দাবি, গত পাঁচ বছরে দেশে স্কোয়াশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা ইতোমধ্যে পদক অর্জন শুরু করেছেন। ২০৩২ সালের অলিম্পিকে অংশগ্রহণের লক্ষ্য সামনে রেখে দেশের স্কোয়াশ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।

এই লক্ষ্য সামনে রেখে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে স্কোয়াশের আরও বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’-এর সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

১০৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
খেলা নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন